সম্প্রতি, ০৮ বছরের এই ছোট বোনটির নাম জান্নাতুল সাইমা, পিতা- মো. বাদল মিয়া, গ্রাম– কাচারিপাড়া, থানা ও ইউনিয়ন- কিশোরগঞ্জ, জেলা– নীলফামারী। বোনটির গালে দুটি টিউমার বহন করছে, জরুরী ভিত্তিতে অপারেশন করা প্রয়োজন।” শীর্ষক শিরোনামে এক শিশুর কয়েকটি ছবি সংযুক্ত করে একটি মানবিক সাহায্যের আবেদন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
ফেসবুকে প্রচারিত পোস্ট দেখুন: এখানে (আর্কাইভ), এখানে (আর্কাইভ)।
ফ্যাক্টচেক
রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, প্রচারিত আবেদনটি সম্পূর্ণ ভুয়া এবং ছবিগুলো কোনো বাংলাদেশি শিশুর নয়। প্রকৃতপক্ষে, ভারতের রাজধানী দিল্লির এক শিশুর চিকিৎসার পুরোনো ছবি ব্যবহার করে প্রতারণার উদ্দেশ্যে এই কাল্পনিক পোস্টটি তৈরি করা হয়েছে।
মূলত, ২০২২ সালে ভারতের ক্রাউডফান্ডিং ও ফান্ডরাইজিং ওয়েবসাইট ImpactGuru-তে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ছবিগুলো ভারতের ৭ বছর বয়সী এক শিশু মমতার। তার মুখে একটি বড় লাম্প (টিউমার) ছিল, যা স্বাভাবিক আকারের চেয়ে অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়ে মুখের একদিকে ঝুলে পড়েছিল। মমতার মুখের পুনর্গঠনের জন্য জরুরি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন ছিল। সে ভারতের দিল্লির “Max Super Speciality Hospital”-এ চিকিৎসাধীন ছিল। ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, তার চিকিৎসার জন্য প্রায় ৩৪.৫০ লাখ রুপি প্রয়োজন। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবেদন প্রকাশের পর তার জন্য আর্থিক সহায়তা সংগ্রহ কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, পূর্বেও একই নাম, মোবাইল নম্বর ও ছবিগুলো ব্যবহার করে প্রতারণার উদ্দেশ্যে আর্থিক সাহায্য চেয়ে করা পোস্ট করা হলে তা শনাক্ত করে ফ্যাক্টচেক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল রিউমর স্ক্যানার।
আর্থিক প্রতারণার উদ্দেশ্যে ভারতীয় রোগাক্রান্ত শিশু মমতাকে বাংলাদেশি শিশু দাবিতে প্রচার


