ঢাবির ছাত্রদল নেতা আবিদ-মায়েদকে জড়িয়ে ফেক আইডি সংক্রান্ত ভুয়া মন্তব্য প্রচার 

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেতা আবিদুল ইসলাম খান ও তানভীর আল হাদী মায়েদকে জড়িয়ে দুইটি মন্তব্য সংবলিত একটি ডিজিটাল কার্ড প্রচার হয়েছে। দাবি করা হচ্ছে, আবিদুল ইসলাম খান বলেছেন, “আমি আর মায়েদ মিলে ১৫ টা আইডি চালাতাম, কিন্তু অন্যায় কাজে সেগুলো ব্যবহার করিনি, করবও না।” একই সাথে দাবি করা হচ্ছে, তানভীর আল হাদী মায়েদ বলেছেন, “আমি কখনো অন্য কোনো আইডি চালাইনি, যে ব্যক্তি দলের ভিতরে থেকে এমন কথা বলে তার ব্যক্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ আছে।” 

উক্ত দাবির ফেসবুক পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে

একই দাবিতে ফেসবুকে পোস্ট করে পরবর্তীতে তা সরিয়ে নিয়েছে ‘বাংলাদেশ টাইমস’।

একই দাবির পোস্ট দেখুন ইউটিউবইনস্টাগ্রামে

ফ্যাক্টচেক


রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, ঢাবির ছাত্রদল নেতা আবিদ ও মায়েদ ফেক আইডি সংক্রান্ত আলোচিত মন্তব্যগুলো করেননি। প্রকৃতপক্ষে, ঢাবির এই দুই শিক্ষার্থীকে জড়িয়ে কোনো তথ্য প্রমাণ ছাড়াই ভুয়া মন্তব্যগুলো প্রচার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে অনুসন্ধানে আবিদুল ইসলাম খানতানভীর আল হাদী মায়েদের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট পর্যবেক্ষণ করে সাম্প্রতিক সময়ে এমন কোনো মন্তব্য করার নজির পাওয়া যায়নি৷ তাছাড়া, তাদের সাম্প্রতিক কোনো সাক্ষাৎকারেও এমন মন্তব্য করার প্রমাণ মেলেনি। তবে দুজনই পৃথকভাবে গত ৫ ডিসেম্বর ফেসবুক পোস্টের (আবিদ, মায়েদ) মাধ্যমে জানান, মন্তব্যগুলো তারা করেননি। তাদের নামে মিথ্যা প্রোপাগাণ্ডা ছড়ানো হচ্ছে।

এদিকে, এই ভুয়া ফটোকার্ড ও অপপ্রচারের অভিযোগে ‘বাংলাদেশ টাইমস’ এর বিরুদ্ধে গত ৫ ডিসেম্বরই সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন আবিদুল ইসলাম খান ও তানভীর আল হাদী মায়েদ। শাহবাগ থানায় তারা এ জিডি করেন।

সুতরাং, ঢাবির ছাত্রদল নেতা আবিদ-মায়েদকে জড়িয়ে ফেক আইডি সংক্রান্ত আলোচিত মন্তব্যগুলো ভুয়া ও বানোয়াট।

তথ্যসূত্র

Share: