সম্প্রতি, “গ্রেফতার হলেন মির্জা আব্বাস” শীর্ষক তথ্যে বা শিরোনামে যমুনা টিভির লোগো এবং ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে।

ফেসবুকে প্রচারিত পোস্ট দেখুন: এখানে (আর্কাইভ), এখানে (আর্কাইভ)।
ফ্যাক্টচেক
রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, “গ্রেফতার হলেন মির্জা আব্বাস” শীর্ষক শিরোনামে যমুনা টিভি কোনো ফটোকার্ড প্রকাশ করেনি এবং মির্জা আব্বাসও গ্রেফতার হননি। প্রকৃতপক্ষে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি ছবি দিয়ে ডিজিটাল প্রযুক্তির সহায়তায় আলোচিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
অনুসন্ধানের শুরুতে আলোচিত ফটোকার্ডটি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, আলোচিত ফটোকার্ডটিতে যমুনা টিভির লোগো এবং মির্জা আব্বাসের ছবি রয়েছে। উক্ত সূত্র ধরে অনুসন্ধানে যমুনা টিভির ফেসবুক পেজে এ সংক্রান্ত কোনো ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়নি। এমনকি যমুনা টিভির ওয়েবসাইট এবং ইউটিউব চ্যানেলেও এসংক্রান্ত কোনো তথ্য বা সংবাদ পাওয়া যায়নি।
মির্জা আব্বাসের মত একজন রাজনীতিবিদ গ্রেফতার হলে তা গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হওয়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু, প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড সার্চ করে গণমাধ্যম কিংবা বিশ্বস্ত সূত্রে আলোচিত দাবির সপক্ষে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, গত ০৩ এপ্রিল ডেইলি স্টারের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত ০৩ এপ্রিল বিএনপির মিডিয়া সেল জানানো হয়েছে, গত ০৩ এপ্রিল ভোরে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসকে করোনারি কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ) থেকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে।
অর্থাৎ, তিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
এরপর, আলোচিত ফটোকার্ডে থাকা ছবির বিষয়ে অনুসন্ধান করে রিউমর স্ক্যানার টিম। আলোচিত ছবিটি একাধিক এআই ডিটেক্টর দিয়ে যাচাই করে দেখা যায়, এটি এআই হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় শতভাগ।

সুতরাং, এআই ছবি যুক্ত করে মির্জা আব্বাস গ্রেফতার হওয়ার দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডটি ভুয়া।
তথ্যসূত্র
- Jamuna Television- Facebook Page
- Jamuna Television- Website
- Jamuna Television- YT Channel
- Daily Star- সিসিইউ থেকে কেবিনে মির্জা আব্বাস
- Ai Analysis


