ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি মারা গেছেন। ০১ মার্চ সকালে আমেরিকা ও ইসরায়েলের চলমান যৌথ সামরিক হামলায় তিনি নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাসনিম ও ফার্স নিউজ এজেন্সি। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খামেনির একটি ভিডিও প্রচার করে দাবি করা হয়েছে, “আয়াতুল্লাহ আলী খামিনি বেঁচে আছে থামেনি ভক্তরা দেখাকরণে এসেছেন গভীর রাতে।

উক্ত দাবিতে প্রচারিত টিকটক ভিডিও দেখুন এখানে, যা দেখা হয়েছে ১ লক্ষাধিক বার।
ফ্যাক্টচেক
রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির এই ভিডিওটি সাম্প্রতিক সময়ের নয়। প্রকৃতপক্ষে, এটি ২০১৪ সালে ইরানের একটি হাসপাতালে অসুস্থ থাকাকালীন সময়ে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ভিডিও।
এ বিষয়ে অনুসন্ধানে টিকটকের একটি অ্যাকাউন্টে ২০২৫ সালের নভেম্বরেও একই ভিডিও পাওয়া যায়। অর্থাৎ, ভিডিওটি যে সাম্প্রতিক সময়ের নয় তা নিশ্চিত।

এ বিষয়ে আরও অনুসন্ধানে, এএফপির ইউটিউব চ্যানেলে ২০১৪ সালের ০৮ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত খামেনির হাসপাতালে ভর্তিকালীন সময়ের একটি ভিডিও প্রতিবেদন পাওয়া যায়। ভিডিওর পারিপার্শ্বিক উপাদানের সাথে সম্প্রতি প্রচারিত ভিডিওতে থাকা উপাদানগুলোর মিল পাওয়া যায়।

এছাড়া, Euronews এর ইউটিউব চ্যানেলে ২০১৪ সালের ৮ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত একটি ভিডিও প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সেসময় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির প্রোস্টেট অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
সুতরাং, ২০১৪ সালের ভিডিও প্রচার করে দাবি করা হচ্ছে খামেনি বেঁচে আছেন; যা মিথ্যা।
তথ্যসূত্র
- AFP: YouTube Video
- Euronews: Youtube Video


