হাসনাত আবদুল্লাহকে জড়িয়ে বাংলাদেশ টাইমসের সম্পাদিত ফটোকার্ড প্রচার

সম্প্রতি, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহকে উদ্ধৃত করে ‘আমাকে দিয়ে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দুর্নীতি কখনো সম্ভব হবেনা। আমার বাপ দাদা ছিল জমিদার, দুষ্টু লোকে বলে রাজমিস্ত্রি’ শিরোনামে সংবাদমাধ্যম ‘বাংলাদেশ টাইমস’ এর ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে।

উক্ত দাবিতে ফেসবুকে প্রচারিত পোস্ট দেখুন এখানে

ফ্যাক্টচেক

রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, হাসনাত আব্দুল্লাহকে উদ্ধৃত করে বাংলাদেশ টাইমস এমন কোনো ফটোকার্ড প্রকাশ করেনি এবং ‘আমার বাপ দাদা ছিল জমিদার, দুষ্টু লোকে বলে রাজমিস্ত্রি’ শীর্ষক মন্তব্যও হাসনাত আব্দুল্লাহ করেননি। বরং, বাংলাদেশ টাইমসের ভিন্ন একটি ফটোকার্ড ডিজিটাল প্রযুক্তির সহায়তায় সম্পাদনার মাধ্যমে আলোচিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে অনুসন্ধানের শুরুতে ফটোকার্ডটি পর্যবেক্ষণ করে এতে বাংলাদেশ টাইমসের লোগো ও এটি প্রচারের তারিখ হিসেবে ‘২৩ জানুয়ারি, ২০২৬’ উল্লেখ পাওয়া যায়। এরই সূত্র ধরে সংবাদমাধ্যমটির ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট  এবং ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে গত ২৩ জানুয়ারি কিংবা অন্য কোনো তারিখে প্রকাশিত এমন কোনো ফটোকার্ড পাওয়া যায়নি।

তবে, বাংলাদেশ টাইমসের ফেসবুক পেজে গত ২৩ জানুয়ারি ‘আমাকে দিয়ে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দুর্নীতি কখনো সম্ভব না: হাসনাত আবদুল্লাহ’ শিরোনামে প্রচারিত একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়।

উক্ত ফটোকার্ডটি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, আলোচিত ফটোকার্ডের সাথে উক্ত ফটোকার্ডের শিরোনাম ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে। বাংলাদেশ টাইমস এর মূল ফটোকার্ডটিতে ‘আমাকে দিয়ে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দুর্নীতি কখনো সম্ভব না: হাসনাত আবদুল্লাহ’ শীর্ষক বাক্য থাকলেও প্রচারিত ফটোকার্ডটিতে এর পরিবর্তে ‘আমাকে দিয়ে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দুর্নীতি কখনো সম্ভব হবেনা। আমার বাপ দাদা ছিল জমিদার, দুষ্টু লোকে বলে রাজমিস্ত্রি: হাসনাত আবদুল্লাহ’ শীর্ষক বাক্য লেখা হয়েছে।

অর্থাৎ, বাংলাদেশ টাইমসের এই ফটোকার্ডটি সম্পাদনা করেই আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।

সুতরাং, হাসনাত আব্দুল্লাহকে উদ্ধৃত করে বাংলাদেশ টাইমসের নামে প্রচারিত ফটোকার্ডটি সম্পাদিত।

তথ্যসুত্র

Share: