গত নভেম্বর থেকে ‘দীর্ঘ ২৬৮ দিন কারাভোগের পর স্থায়ী জামিনে কারামুক্ত হয়েছেন সিলেটের অহংকার ব্যারিষ্টার সাঈদুর রহমান সুমন’ শীর্ষক দাবিতে একটি ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে।

ফেসবুকে প্রচারিত পোস্ট দেখুন- এখানে (আর্কাইভ), এখানে (আর্কাইভ), এখানে (আর্কাইভ), এখানে (আর্কাইভ), এখানে (আর্কাইভ), এখানে (আর্কাইভ)।
ইউটিউবে প্রচারিত ভিডিও দেখুন- এখানে (আর্কাইভ)।
ফ্যাক্টচেক
রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন জামিন পাননি। প্রকৃতপক্ষে, গত বছরের ৩০ অক্টোবর সায়েদুল হক সুমনকে আদালতে নেওয়ার ভিডিওকে আলোচিত দাবিতে প্রচার করা হচ্ছে।
সায়েদুল হক সুমন জামিন পেলে গণমাধ্যমে স্বাভাবিকভাবেই সংবাদ প্রকাশ হতো। কিন্তু, প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড সার্চ করে গণমাধ্যম ও বিশ্বস্ত সূত্রে জামিন পাওয়ার সপক্ষে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
প্রচারিত পোস্টগুলো পর্যবেক্ষণ করে দাবির সপক্ষে কোনো সূত্রের উল্লেখ পাওয়া যায়নি। এরপর আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ভিডিওটির বিষয়ে অনুসন্ধান করে রিউমর স্ক্যানার টিম। অনুসন্ধানে জাতীয় দৈনিক কালবেলার ইউটিউব চ্যানেলে গত বছরের ৩০ অক্টোবর প্রকাশিত একটি ভিডিও পাওয়া যায়। উক্ত ভিডিওর সাথে সায়েদুল হক সুমনের পোশাক, হেলমেট এবং পাশে থাকা পুলিশ সদস্যদের সাথে আলোচিত ভিডিওতে থাকা সায়েদুল হক সুমনের পোশাক, হেলমেট এবং পাশে থাকা পুলিশ সদস্যদের মিল রয়েছে।

উক্ত ভিডিওতে বলা হয়েছে, ৩৪ জন আসামিকে আদালতে নেওয়ার দৃশ্য এটি।
এছাড়া, একই তারিখে জাতীয় দৈনিক যায়যায়দিনের ইউটিউব চ্যানেলে উক্ত ভিডিওটি প্রকাশ করে বলা হয়েছে প্রচারিত ভিডিওটি সায়েদুল হক সুমনসহ ৩৪ জন আসামিকে আদালতে নেওয়ার দৃশ্য।
অর্থাৎ, প্রচারিত ভিডিওটি ভিন্ন ঘটনার পুরোনো।
সুতরাং, সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন জামিন পেয়েছেন শীর্ষক দাবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা।


