বিএনপি নেতা-কর্মী কর্তৃক যুবলীগ কর্মীকে নির্যাতন দাবিতে প্রচারিত ভিডিওটি ভিন্ন ঘটনার 

সম্প্রতি, ‘চু^রি^র অভিযোগে এনে যুবলীগের এক কর্মীকে জোরপূর্বক গাছের সাথে বেঁধে নির্যাতন করে আগুন জ্বালিয়ে শিকারোক্তি নিচ্ছে বিএনপির আগুন সন্ত্রাসী*রা কি নির্মম! মোবাইল কই বল্? আর ছেলেটি বলছে, “আমি নিছি না”। আগুন জ্বলছে, চিৎকার করছে “আমি জানি না ও মা গো করে”,। তোফাজ্জল কেও এভাবে চুরির অপবাদ দিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল’ শিরোনামে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে।

ফেসবুকে প্রচারিত পোস্ট দেখুন এখানে (আর্কাইভ), এখানে (আর্কাইভ), এখানে (আর্কাইভ), এখানে (আর্কাইভ)।

ফ্যাক্টচেক

রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রচারিত ভিডিওটি বিএনপি নেতা-কর্মী কর্তৃক চুরির অভিযোগ এনে যুবলীগ কর্মীকে নির্যাতনের কোনো ঘটনার নয়। প্রকৃতপক্ষে, ২০২৫ সালে হবিগঞ্জে চুরির অভিযোগে এক যুবককে নির্যাতনের ঘটনাকে আলোচিত দাবিতে প্রচার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে অনুসন্ধানে যমুনা টিভির ইউটিউব চ্যানেলে ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ ‘হবিগঞ্জে যুবককে গাছে বেঁধে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় মামলা হয়নি এখনও’ শিরোনামে প্রচারিত একটি ভিডিও খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ভিডিওর সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফুটেজের মিল রয়েছে।

এ বিষয়ে আরো অনুসন্ধান করে প্রথম আলোর ওয়েবসাইটে ২০২৫ সালের ১৩ মার্চ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সে সময় হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার সিলিমনগর গ্রামে ছিনতাই ও মুঠোফোন চুরির অভিযোগে এক তরুণকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করছেন কিছু লোক। পরে সেই তরুণের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। তবে একজন নয়, দুই তরুণের সঙ্গে ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় সে সময় ভুক্তভোগী তরুণদের একজন ১৩ জনের বিরুদ্ধে হবিগঞ্জ আদালতে একটি মামলা করেছেন।

সেসময় এবিষয়ে অন্যান্য গণমাধ্যমগুলোতেও সংবাদ (, , ) প্রকাশ করা হয়।

গতবছরের মার্চে ভিন্ন দাবিতে ভিডিওটি প্রচার করা হলে সেসময় এবিষয়ে ফ্যাক্টচেক প্রতিবেদন প্রকাশ করে রিউমর স্ক্যানার।

সুতরাং, হবিগঞ্জে চুরির অভিযোগে যুবককে নির্যাতনের ঘটনার ভিডিওকে বিএনপি নেতা-কর্মী কর্তৃক যুবলীগ কর্মীকে নির্যাতনের দাবিতে প্রচার করা হয়েছে, যা মিথ্যা।

তথ্যসূত্র

Share: