সম্প্রতি, বিএনপির লোকজন কর্তৃক ছাত্রলীগের এক নেতাকে মারধরের দৃশ্য দাবিতে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে।

উক্ত দাবিতে ফেসবুকে প্রচারিত ভিডিও দেখুন: এখানে (আর্কাইভ) এবং এখানে (আর্কাইভ)।
ফ্যাক্টচেক
রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রচারিত ভিডিওটি কোনো ছাত্রলীগের কোনো নেতাকে মারধরের দৃশ্যের নয়। প্রকৃতপক্ষে, বগুড়ায় ভুয়া ফুড ইন্সপেক্টর সেজে এক হোটেল মালিকের কাছ থেকে চাঁদা দাবির অভিযোগে আটক ব্যক্তিকে মারধরের দৃশ্যকে উক্ত দাবিতে প্রচার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অনুসন্ধানে, দৈনিক কালবেলার ওয়েবসাইটে গত ০৫ ফেব্রুয়ারিতে “বগুড়ায় ভুয়া ফুড ইন্সপেক্টর সেজে চাঁদা দাবি, অতঃপর…” শিরোনামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত প্রতিবেদনে সংযুক্ত ছবির সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ভিডিওর দৃশ্যের মিল রয়েছে।

প্রতিবেদনটি থেকে জানা যায়, বগুড়ার সদর উপজেলার সাবগ্রাম ইউনিয়নের উদ্দিগোলা বাজারে ভুয়া ফুড ইন্সপেক্টর সেজে এক হোটেল মালিকের কাছ থেকে চাঁদা দাবির অভিযোগে মেহেদী হাসান নামে এক ব্যক্তিকে আটক ও মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।
এছাড়া, ঢাকা পোস্টের ফেসবুক পেজেও গত ০৫ ফেব্রুয়ারিতে “বগুড়ায় ভুয়া ফুড ইন্সপেক্টর আটক, পুলিশের সামনেই গণধোলাই” শিরোনামে একই ঘটনার ভিডিও প্রচার হতে দেখা যায়।
সুতরাং, বগুড়ায় ভুয়া ফুড ইন্সপেক্টর সেজে এক হোটেল মালিকের কাছ থেকে চাঁদা দাবির অভিযোগে আটক ব্যক্তিকে গণধোলাই দেওয়ার ভিডিওকে ছাত্রলীগ নেতাকে মারধর করা হয়েছে দাবিতে প্রচার করা হয়েছে; যা মিথ্যা।


