বাংলাদেশে চ্যাটজিপিটি নিষিদ্ধের তথ্যটি ভুয়া, শিক্ষামন্ত্রী এমন কোনো নির্দেশনা দেননি

সম্প্রতি, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের নির্দেশে বাংলাদেশে চ্যাটজিপিটি নিষিদ্ধ করা হয়েছে শীর্ষক একটি দাবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে।

উক্ত দাবির ফেসবুক পোস্ট দেখুন: এখানে, এখানে, এখানে এবং এখানে।
ফ্যাক্টচেক
রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, বাংলাদেশে চ্যাটজিপিটি নিষিদ্ধ করা হয়নি এবং শিক্ষামন্ত্রীও এমন কোনো নির্দেশনা দেননি। প্রকৃতপক্ষে, কোনো প্রকার নির্ভরযোগ্য সূত্র ছাড়াই ভিত্তিহীন এই দাবি ইন্টারনেটে প্রচার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অনুসন্ধানের শুরুতে ‘ওপেনএআই’ এর প্ল্যাটফর্ম চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে দেখে রিউমর স্ক্যানার টিম। এতে সবকিছু স্বাভাবিক এবং সচল অবস্থায় পাওয়া যায়।
আলোচিত দাবি সংবলিত পোস্টগুলোতে কোনো তথ্যসূত্রের উল্লেখ না পাওয়ায় প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড অনুসন্ধানে দেশীয় মূলধারার সংবাদমাধ্যমে এ সংক্রান্ত কোনো তথ্যের হদিস খুঁজে পাওয়া যায়নি।
এছাড়া, শিক্ষামন্ত্রীর মিডিয়া সেল এবং ফেসবুক পেজেও আলোচিত দাবিটির বিষয়ে কোনো তথ্যের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
আদৌ শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এমন কোনো নির্দেশনা দিয়েছেন কিনা সে বিষয়ে বিস্তারিত জানতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করে রিউমর স্ক্যানার। শিক্ষামন্ত্রীর একান্ত সচিব ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল এ বিষয়ে বলেন, “বিষয়টি সম্পূর্ণ গুজব। মিলন স্যার এমন কোনো পদক্ষেপ নেননি।”
অর্থাৎ, কোনো প্রকার তথ্যসূত্র ছাড়াই ভিত্তিহীনভাবে শিক্ষামন্ত্রীর নামে চ্যাটজিপিটি নিষিদ্ধের এই ভুয়া দাবিটি ইন্টারনেটে প্রচার করা হয়েছে।
সুতরাং, শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশে বাংলাদেশে চ্যাটজিপিটি নিষিদ্ধ করা হয়েছে শীর্ষক দাবিটি মিথ্যা।
তথ্যসূত্র
- চ্যাট জিপিটি
- Ehsanul Hoque Milon – Media Cell: Facebook Page
- Anm Ehsanul Hoque Milon: Facebook Account
- Statement from: Private Secretary to the Minister of Education

