আগামী ১৩ নভেম্বর রাজধানী ঢাকা লকডাউন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। এর প্রেক্ষিতে, “ইউনূসের বাসভবন যমুনায় ককটেল হামলা চালিয়েছে।” শীর্ষক ক্যাপশনে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে।

উক্ত দাবির ফেসবুক ভিডিও দেখুন এখানে, এখানে।
ফ্যাক্টচেক
রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, ড. ইউনূসের বাসভবনে ককটেল হামলা চালানোর দাবিটি সঠিক নয় বরং, ১১ নভেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডির ১১/এ সড়কে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাকে উক্ত দাবিতে প্রচার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অনুসন্ধানে ফেসবুকে জাতীয় দৈনিক কালের কণ্ঠের পেজে ১১ নভেম্বর প্রচারিত একটি লাইভ ভিডিওর সাথে আলোচিত ভিডিওটির মিল খুঁজে পাওয়া যায়।

ভিডিওটির ক্যাপশন থেকে জানা যায়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার দৃশ্য এটি।
জাতীয় দৈনিক প্রথম আলোর এক প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, রাজধানীর ধানমন্ডির ১১/এ সড়কে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ের সামনে একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। দুইজন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে এসে এই বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ১১ নভেম্বর রাত সোয়া আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
পরবর্তী অনুসন্ধানে অন্যান্য গণমাধ্যম এবং নির্ভরযোগ্য সূত্রগুলোর বরাতেও উক্ত দাবির সত্যতা পাওয়া যায়নি।
তাছাড়া, হেয়ার রোডে অবস্থিত রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা থেকে (প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের বাসভবন) উক্ত ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাস্থলের দূরত্ব প্রায় চার কিলোমিটার।
সুতরাং, ধানমন্ডিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার কার্যালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার ভিডিওকে ড. ইউনূসের বাসভবনে ককটেল হামলা দাবিতে প্রচার করা হয়েছে; যা বিভ্রান্তিকর।
তথ্যসূত্র
- Kaler Kantho: Facebook Live


