প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের আনুষ্ঠানিকভাবে দপ্তর বণ্টন করা হয়েছে। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বিকেলে নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেন। এরই প্রেক্ষিতে সুনামগঞ্জ-২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা নাছির চৌধুর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন শীর্ষক একটি দাবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে।

উক্ত দাবির ফেসবুক পোস্ট দেখুন: এখানে (আর্কাইভ)।
ফ্যাক্টচেক
রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, নাছির চৌধুরী নয় বরং, আ ন ম এহসানুল হক মিলন শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।
এ বিষয়ে অনুসন্ধানে গত ১৭ ফেব্রুয়ারিতে দপ্তর বণ্টন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগকে প্রজ্ঞাপন জারি করতে দেখা যায়। নতুন সরকারে দায়িত্ব পাওয়া প্রধানমন্ত্রীসহ সকল মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর মন্ত্রণালয়সহ প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ পাওয়া যায়। তবে, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর নামের স্থলে নাছির চৌধুরীর নাম দেখতে পাওয়া যায়নি।
এছাড়াও, বিএনপির ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে গত ১৭ ফেব্রুয়ারিতে প্রচারিত একটি পোস্টেও শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর নামের স্থলে আ ন ম এহসানুল হক মিলনের নাম দেখতে পাওয়া যায়।
পাশাপাশি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট পর্যবেক্ষণ করলেও তাতে নাছির চৌধুরীর নাম পাওয়া যায়নি। মন্ত্রী হিসেবে আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ববি হাজ্জাজের নাম উল্লেখ পাওয়া যায়।
উপরোক্ত তথ্যপ্রমাণ বিশ্লেষণ করে নিশ্চিত হওয়া যায় যে নাছির চৌধুরীকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কিংবা অন্য কেনো মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।
সুতরাং, নাছির চৌধুরীকে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দেওয়া হয়েছে শীর্ষক দাবিটি মিথ্যা।
তথ্যসূত্র
- Cabinet Division, Bangladesh – প্রজ্ঞাপন
- Bangladesh Nationalist Party-BNP – Facebook Post
- শিক্ষা মন্ত্রণালয় – ওয়েবসাইট
- Rumor Scanner’s Analysis


