১৭ এপ্রিল। বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার প্রথম ওয়ানডে ক্রিকেট ম্যাচ চলছে মিরপুরে। ফেসবুকে Boundary Culture নামে একটি পেজ সামনে এলো, যাতে ম্যাচটি লাইভ দেখা যাচ্ছে, দেখছেন প্রায় লক্ষাধিক মানুষ। সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচের দিন এমন অন্তত ৩৮টি পেজ অবৈধভাবে লাইভ ম্যাচ দেখিয়ে লাখো দর্শককে অনলাইন বেটিংয়ের ফাঁদে ফেলছে বলে নিশ্চিত হয়েছে রিউমর স্ক্যানার ইনভেস্টিগেশন ইউনিট। অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে লাইভ ভিডিওর কমেন্টে ও স্ক্রিনে অন্তত ২৮টি হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার ছড়িয়ে দিয়ে প্রকাশ্যেই “বেট আইডি” বিক্রির প্রচারণা চালানো হচ্ছে। বাংলাদেশের আইনে যেকোনো ধরনের জুয়া ও এর প্রচারণা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও, দেশি-বিদেশি এই চক্রটি মানুষের ক্রিকেটীয় আবেগকে পুঁজি করে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে এক বিশাল অপরাধী নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে, যা কেবল তরুণ সমাজকে বিপথগামী করছে না বরং দেশের সাইবার নিরাপত্তা ও প্রচলিত আইনের প্রতি ছুড়ে দিচ্ছে এক বড় চ্যালেঞ্জ।
কীভাবে কী হচ্ছে?
২০ এপ্রিল বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে ‘Boundary Culture’ নামের ফেসবুক পেজের লাইভ ভিডিওর কমেন্টে এডমিন প্যানেল থেকেই “বেট আইডি নিতে যোগাযোগ করুন” উল্লেখ করে একটি হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার শেয়ার করা হয়। ওই নাম্বারে যোগাযোগ করলে প্রতিউত্তরে জানানো হয়, তারা মূলত দুই ধরনের পদ্ধতিতে বেটিং সেবা দিয়ে থাকে।
প্রথমটি “skyfierx” নামে একটি প্ল্যাটফর্ম—যেখানে নতুন অ্যাকাউন্ট খোলার পর প্রথম ডিপোজিটে ১০ শতাংশ বোনাস এবং দ্রুত (প্রায় দুই মিনিটের মধ্যে) টাকা উত্তোলনের সুবিধার কথা বলা হয়। দ্বিতীয়টি “1x bdt”—এখানে ব্যবহারকারীরা নিজেরাই ডিপোজিট ও উত্তোলন করতে পারবেন বলে জানানো হয়। উভয় ক্ষেত্রেই অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য ব্যবহারকারীর নাম ও ফোন নাম্বার চাওয়া হচ্ছে।

একই দিনে অন্যান্য একাধিক ফেসবুক পেজের লাইভ ভিডিও থেকেও পাওয়া হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারে যোগাযোগ করলে প্রায় একই ধরনের বার্তা পাওয়া যায়—কোথাও লিখিতভাবে, কোথাও অডিও মেসেজের মাধ্যমে। এসব নির্দেশনা অনুসরণ করলে সংশ্লিষ্ট চক্র ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন অনলাইন বেটিং সাইটে রেজিস্ট্রেশন করে দিচ্ছে, যেখানে খেলাধুলার পাশাপাশি ক্যাসিনো গেমে বাজি ধরার সুযোগ দেখিয়ে আকৃষ্ট করা হচ্ছে। এভাবে লাইভ ম্যাচ দেখানোর আড়ালে সংগঠিতভাবে অনলাইন জুয়ার নেটওয়ার্ক বিস্তারের একটি স্পষ্ট চিত্র সামনে আসছে।
দুই ম্যাচে ৩৮টি পেজে লাইভের তথ্য
১৭ এপ্রিল সকাল ১১ টায় শুরু হয় বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার প্রথম ওয়ানডে ম্যাচটি। শেষ হয় সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার কিছু সময় পরে। এই পুরো সময়টাতেই ফেসবুকে অন্তত ২৯টি পেজে লাইভ দেখানো হয় ম্যাচটি। এসব ম্যাচ কয়েক মিলিয়ন মানুষ দেখেছে। লাইভগুলোতে কিছু সময় পরপর এডমিন প্যানেল থেকে বেট আইডি নিতে হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার কমেন্টে দেওয়া হচ্ছিল। কিছু পেজে ভিডিওর মধ্যেই স্ক্রিনে নাম্বার দিতে দেখা যায়।
একই ঘটনা ঘটে দ্বিতীয় ম্যাচের দিনও। ২০ এপ্রিল মিরপুরে দ্বিতীয় ম্যাচ শুরু হয় সকাল ১১ টায়ই। শেষ হয় সন্ধ্যা সাতটার কিছু আগে। দুই ইনিংস বার কয়েক পর্যবেক্ষণের পর এই ম্যাচ লাইভ দেখিয়েছে এমন অন্তত ২৪টি পেজের সন্ধান পায় রিউমর স্ক্যানার ইনভেস্টিগেশন ইউনিট। এসব পেজের ১৫টিতে প্রথম ম্যাচও লাইভ দেখিয়েছিল। দ্বিতীয় ম্যাচের দিন নতুন করে সাতটি পেজে লাইভ দেখানো হয়, যারা প্রথম ম্যাচে লাইভ দেখায়নি।
শুধু বাংলাদেশের এই সিরিজটিই নয়, চলমান ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লীগের ম্যাচগুলোও লাইভ দেখাচ্ছে তালিকায় থাকা অনেক পেজ। সেখানেও একইভাবে বেট আইডি নিতে প্রলুব্ধ করা হচ্ছে দর্শকদের। ম্যাচ শেষে লাইভগুলো সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে পেজগুলো আনপাবলিশডও রাখা হচ্ছে।
হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারগুলো কাদের?
দুই ম্যাচজুড়ে ফেসবুক লাইভ পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, অন্তত ৩৮টি পেজ থেকে ২৮টি ভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার ব্যবহার করে বেট আইডি নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। একটি নাম্বার ছাড়া (ফ্রান্সের +33759870726) বাকি সবই বাংলাদেশি অপারেটরের।
একই নাম্বার একাধিক পেজে ব্যবহারের প্রবণতা বিশেষভাবে লক্ষণীয়। পাঁচটি নাম্বার (01628237659, +33759870726, 01409806008, 01625396053 এবং 01804727995) চারটি করে পেজে ব্যবহৃত হয়েছে। এছাড়া তিনটি নাম্বার (01310538495, 01625395988, 01618034618) তিনটি করে পেজে এবং চারটি নাম্বার (01827630656, 01850096617, 01791635159, 01625450993) দুইটি করে পেজে ব্যবহৃত হয়েছে।
হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট, ট্রুকলার পরিচিতি এবং বিকাশ অ্যাকাউন্ট যাচাই করে ২৮টির মধ্যে ২৪টি নাম্বারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নাম শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। এদের মধ্যে পাঁচটি নাম্বার নারীদের নামে নিবন্ধিত, যেগুলোর সঙ্গে বিকাশ অ্যাকাউন্টও যুক্ত রয়েছে।
হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বারগুলোর তালিকা
Infogram
আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, এই নেটওয়ার্কে নাম্বার ব্যবহারের ধরণ ম্যাচভেদে পরিবর্তিত হয়েছে। কেবল দুইটি নাম্বার (01827630656 ও 01850096617) প্রথম ও দ্বিতীয় ম্যাচে ভিন্ন পেজে ব্যবহৃত হয়েছে। এর বাইরে প্রথম ম্যাচে ব্যবহৃত কোনো নাম্বার দ্বিতীয় ম্যাচে পুনরায় পাওয়া যায়নি। এই প্যাটার্ন ইঙ্গিত দেয়, শনাক্তকরণ এড়াতে বা ট্র্যাকিং জটিল করতে তারা সচেতনভাবে নাম্বার ঘুরিয়ে ব্যবহার করছে।
পেছনে সংঘবদ্ধ চক্র?
বেট আইডি নেওয়ার এই প্রচারণায় একই হোয়াটসঅ্যাপ নাম্বার একাধিক পেজে ব্যবহারের বিষয়টি স্পষ্টভাবে সংগঠিত কার্যক্রমের ইঙ্গিত দেয়। এমনকি প্রথম ম্যাচে একটি পেজে ব্যবহৃত নাম্বার দ্বিতীয় ম্যাচে অন্য পেজে ব্যবহার হওয়ার ঘটনাও পাওয়া গেছে। নাম্বারে যোগাযোগ করলে প্রায় একই ধরনের প্রতিক্রিয়া পাওয়া যাচ্ছে, কখনো টেক্সট, কখনো অডিও বার্তায়—যা একটি সমন্বিত স্ক্রিপ্ট বা নির্দেশনার ব্যবহারকে নির্দেশ করে।
পেজগুলোর ট্রান্সপারেন্সি সেকশন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এগুলো একদিনে তৈরি হয়নি; বরং বিভিন্ন সময়ে, আগের বছরগুলোতে খোলা হয়েছে। অধিকাংশ পেজই পরিচালনাকারীদের তথ্য গোপন রেখেছে, যা সন্দেহ আরও বাড়ায়। তবে ১০টি পেজের আংশিক তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে পাঁচটি (Carota, sAd Fun3, Crazy Zone, Chamunda Bhatta এবং Blaze Gaming) বাংলাদেশি এডমিন দ্বারা পরিচালিত।
অন্যদিকে, বাকি পাঁচটি পেজ আন্তর্জাতিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে। তিনটি পেজ (Green Shirts, Viral Video 95, Viral Video 540) পাকিস্তান থেকে এককভাবে নিয়ন্ত্রিত। একটি (Best Memes 3) পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে যৌথভাবে পরিচালিত, এবং আরেকটি (Malik) পাকিস্তান ও কুয়েত থেকে পরিচালিত হচ্ছে।
এই চিত্রটি স্পষ্ট করে যে, এটি কেবল স্থানীয় কোনো বিচ্ছিন্ন উদ্যোগ নয়। বরং বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে একাধিক দেশে ছড়িয়ে থাকা একটি সমন্বিত চক্র ফেসবুক লাইভের সুযোগ নিয়ে অনলাইন জুয়ার প্রচারণা চালাচ্ছে, যেখানে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক অপারেটরদের মধ্যে সমন্বয় থাকার সম্ভাবনা প্রবল।
দুই অপরাধ একসাথে
ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ নিয়ে আয়োজন করা হয়েছে—১৭ এপ্রিল প্রথম ওয়ানডে দিয়ে শুরু হয়ে ০২ মে তৃতীয় টি-টোয়েন্টির মধ্য দিয়ে শেষ হওয়ার কথা। এই সিরিজের সব ম্যাচ টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করছে টি স্পোর্টস ও নাগরিক টিভি। পাশাপাশি অনলাইনে ম্যাচগুলো দেখা যাচ্ছে ট্যাপমেড-এর ওয়েবসাইট ও অ্যাপে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পক্ষ থেকে ১৫ এপ্রিল দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কোন কোন অনুমোদিত চ্যানেল ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে সিরিজটি সম্প্রচার হবে তার তালিকা প্রকাশ করা হয়। সেখানে কোনো ফেসবুক পেজের নাম নেই। ফলে ফেসবুকে যেসব পেজ লাইভ ম্যাচ দেখাচ্ছে, সেগুলো স্পষ্টতই অনুমোদনবিহীন ও বেআইনি সম্প্রচার করছে। বিসিবির মিডিয়া কমিটির সিনিয়র ম্যানেজার রাবিদ ইমাম জানিয়েছেন, অনুমোদিত প্ল্যাটফর্ম ছাড়া অন্য কোথাও লাইভ দেখানো সম্পূর্ণ অবৈধ। এক্ষেত্রে বিসিবি কোনো ব্যবস্থা নেয় কিনা তা জানতে চাইলে রাবিদ জানান, তাদের একটি ডিজিটাল টিম রয়েছে যারা অবৈধভাবে কোনো প্ল্যাটফর্মে খেলা লাইভ দেখালে সেগুলো স্ট্রাইক দিয়ে নামিয়ে ফেলার কাজটি করে। তবে এত পরিমাণ পেজের মাধ্যমে কাজটি করা হয় যে তাদের পক্ষে এটিকে সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে যায়।
রাবিদ ইমামের মতে, লাইভ ম্যাচের আড়ালে যে বেট আইডির প্রচারণা এই প্রবণতা শুধু ক্রিকেটেই সীমাবদ্ধ নয়; অন্যান্য খেলাতেও একইভাবে চলছে এবং এতে টিভি রেভিনিউ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, কারণ দর্শকরা টেলিভিশনের পরিবর্তে ফেসবুকে ম্যাচ দেখছে।
রিউমর স্ক্যানার ইনভেস্টিগেশন ইউনিট বাংলাদেশের ম্যাচগুলো সরাসরি দেখানোর সম্প্রচার স্বত্ব পাওয়া গণমাধ্যম নাগরিক টিভির কর্তৃপক্ষের সাথেও বিষয়টি নিয়ে আলাপ করেছে। গণমাধ্যমটির ডিজিটাল মিডিয়া বিভাগের ম্যানেজার আশিক ওয়াসীও রাবিদ ইমামের সাথে একমত পোষণ করেছেন। বলছেন, ফেসবুকের লাইভগুলোর কারণে তারা টিভির লাইভে দর্শক হারাচ্ছেন। আশিক বলছিলেন, মূল ক্ষতিটা হচ্ছে আইসিসি থেকে যারা স্বত্ব কেনেন তাদের।
বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন। কিন্তু জুয়ার প্রচার-প্রসার থেমে নেই। অ্যানালগ সিস্টেম থেকে তা ডিজিটাল সংস্করণ ‘অনলাইন বেটিং’য়ে গিয়ে ঠেকেছে।
২০২৩ সালের ১১ জুলাই এক আদেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও টেলিভিশন; বিশেষ করে খেলার চ্যানেলসহ ডিজিটাল ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অনলাইন বাজি ও জুয়ার বিজ্ঞাপন বন্ধে বিটিআরসিকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে যেসব আর্থিক পরিষেবার মাধ্যমে বেটিং ওয়েবসাইটের অর্থ আদান-প্রদান হয়, সেগুলোর গেটওয়ে এবং চ্যানেল বন্ধেরও নির্দেশনা দেওয়া হয়। জনস্বার্থে দায়ের করা একটি রিট আবেদনটির পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট কামাল হোসেন মেহজী। তিনি রিউমর স্ক্যানারকে জানান, সে বিষয়টি তীব্র আকার ধারণ করেছিল। ফলে আদালত নির্দেশটি দেন। কিন্তু এই নির্দেশের পরও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে জুয়ার বিজ্ঞাপন বন্ধ হয়নি। ক্রিকেটের লাইভ ম্যাচে জুয়ার প্রচার ঠেকাতে নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর আরও সক্রিয় ভূমিকার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিচ্ছেন তিনি।
সব মিলিয়ে দেখা যাচ্ছে, ফেসবুকের এসব পেজ একদিকে অনুমোদন ছাড়া সরাসরি ম্যাচ সম্প্রচার করছে, অন্যদিকে একইসঙ্গে অনলাইন জুয়ার প্রচারণা চালাচ্ছে—যা দ্বিমুখীভাবে আইন লঙ্ঘনের শামিল।
কাজের পদ্ধতি
এই অনুসন্ধানটি পরিচালনা করেছে রিউমর স্ক্যানারের বিশেষায়িত বিভাগ ‘রিউমর স্ক্যানার ইনভেস্টিগেশন ইউনিট’। ইউনিটটি ১৭ ও ২০ এপ্রিল বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচের সময় ফেসবুকে লাইভ সম্প্রচার করা পেজগুলো শনাক্ত করে তালিকাভুক্ত করে। এসব লাইভের কমেন্টে শেয়ার করা হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর সংগ্রহ ও নথিভুক্ত করা হয় এবং পেজগুলোর কার্যক্রম ও ধরণ বিশ্লেষণ করা হয়। পরবর্তীতে সংগৃহীত নম্বরগুলো বিভিন্ন উপায়ে যাচাই করে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা হয় এবং তাদের বক্তব্য গ্রহণ করা হয়।


