২১ নভেম্বর সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৭। এরই প্রেক্ষিতে ভারতীয় গণমাধ্যমের এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনে একটি ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের ছবি প্রচার করা হয়েছে।

উক্ত দাবিতে ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত প্রতিবেদন দেখুন টাইমস অফ ইন্ডিয়া, দ্য ট্রিবিউন, এশিয়ানেট নিউজ, লোকমাত টাইমস, রাইজিং কাশ্মীর, এশিয়ানেট সুবর্ণ নিউজ (এক্স)।
একই দাবিতে নেপালের গণমাধ্যমের সংবাদ দেখুন নেপাল নিউজ।
ফ্যাক্টচেক
রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, আলোচিত ছবিটি বাংলাদেশের ২১ নভেম্বরের ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত কোনো ভবনের নয় এবং এটি বাংলাদেশেরও ছবি নয়। প্রকৃতপক্ষে, ভারত ও বাংলাদেশে ২০১৬ সালের ভূমিকম্পে ভারতের ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের ছবিকে উক্ত দাবিতে প্রচার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের ওয়েবসাইটে ২০১৬ সালের ০৪ জানুয়ারি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে একই ছবি পাওয়া যায়।

প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ছবিটি সে সময় ভারতের মনিপুর রাজ্যের রাজধানী ইম্ফলে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত আবাসিক ভবনের দৃশ্য।
রয়টার্স জানায়, ৬.৮ মাত্রার এই ভূমিকম্প বাংলাদেশেও অনুভূত হয়। দুই দেশেই একাধিক ব্যক্তির মৃত্যু হয় এই ঘটনায়।
ইউরো নিউজের এক প্রতিবেদনেও একই স্থানের ভিডিও প্রচার করা হয় সে সময়।
সুতরাং, ভারত ও বাংলাদেশে ২০১৬ সালের ভূমিকম্পে ভারতের ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের ছবিকে বাংলাদেশের ২১ নভেম্বরের ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের ছবি দাবিতে প্রচার করা হয়েছে; যা মিথ্যা।


