ড. ইউনূসের দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা ও গ্রামীণ ব্যাংক সাময়িক বন্ধের নির্দেশ দেয়নি হাইকোর্ট

সম্প্রতি, ‘ডক্টর ইউনূসের দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে হাইকোর্ট সেই সাথে গ্রামীণ ব্যাংক সাময়িক বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট’ শিরোনামে একটি পোস্ট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে।
টিকটকে প্রচারিত পোস্ট দেখুন এখানে (আর্কাইভ)।
উক্ত প্রতিবেদন প্রকাশ অবধি ভিডিওটি ৪৩ হাজারবার দেখা হয়েছে।
ফ্যাক্টচেক
রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, সাম্প্রতিক সময়ে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেনি হাইকোর্ট এবং গ্রামীণ ব্যাংক সাময়িক বন্ধের নির্দেশ ও দেওয়া হয়নি। প্রকৃতপক্ষে, কোনো তথ্য প্রমাণ ছাড়াই উক্ত দাবিটি প্রচার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অনুসন্ধানে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত পোস্টগুলো পর্যবেক্ষণ করলে তাতে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রমাণের উল্লেখ পাওয়া যায়নি। গণমাধ্যম কিংবা বিশ্বস্ত সূত্রে আলোচিত বিষয়ে কোনো তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি। হাইকোর্ট ড. ইউনূসের দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং গ্রামীণ ব্যাংক সাময়িক বন্ধের নির্দেশ দিলে সে বিষয়ে গণমাধ্যমগুলোতে ঢালাওভাবে সংবাদ প্রচার হতো।
তবে, গত ৬ এপ্রিল যুগান্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সেদিন হামের টিকাকে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা থেকে বেসরকারি খাতে দেওয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ তুলে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিতে সরকারের সংশ্লিষ্টদের প্রতি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এম আশরাফুল ইসলাম এ নোটিশ পাঠান। নোটিশে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও সাবেক সব উপদেষ্টাসহ ২৪ জনের দেশত্যাগের নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়েছে।
সেসময় এবিষয়ে অন্যান্য গণমাধ্যমেও সংবাদ (১, ২, ৩) প্রচার করা হয়েছে।
সুতরাং, হাইকোর্ট ড. ইউনূসের দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও গ্রামীণ ব্যাংক সাময়িক বন্ধের নির্দেশ দেওয়ার দাবিতে প্রচারিত তথ্যগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা।

