আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বেঁচে নেই, আরটিভির নামে প্রচারিত ফটোকার্ডটি সম্পাদিত

সম্প্রতি, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছবি সংযুক্ত করে ‘বেঁচে আছে ইরানের নেতা’ শীর্ষক দাবিতে গণমাধ্যম আরটিভির ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে।

এরূপ দাবিতে ফেসবুকে প্রচারিত পোস্ট দেখুন এখানে (আর্কাইভ), এখানে (আর্কাইভ) এবং এখানে (আর্কাইভ)।

ফ্যাক্টচেক

রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, ‘বেঁচে আছে ইরানের নেতা’ শিরোনামে আরটিভি কোনো ফটোকার্ড প্রকাশ করেনি। বরং, আরটিভির ভিন্ন একটি ফটোকার্ড ডিজিটাল প্রযুক্তির সহায়তায় সম্পাদনার মাধ্যমে আলোচিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে অনুসন্ধানের শুরুতে ফটোকার্ডটি পর্যবেক্ষণ করে এতে আরটিভির লোগো এবং ফটোকার্ডটি প্রকাশের তারিখ হিসেবে ০১ মার্চ ২০২৬ উল্লেখ পাওয়া যায়। এরই সূত্র ধরে সংবাদমাধ্যমটির ফেসবুক পেজ এবং ওয়েবসাইট পর্যবেক্ষণ করে এমন কোনো ফটোকার্ড পাওয়া যায়নি।

তবে, আরটিভির ফেসবুক পেজে গত ১ মার্চ আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছবি সংযুক্ত ‘মারা গেছেন খামেনি’ শিরোনামে প্রচারিত একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়।

উক্ত ফটোকার্ডটি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, আলোচিত ফটোকার্ডের সাথে উক্ত ফটোকার্ডের শিরোনাম ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে। আরটিভির মূল ফটোকার্ডটিতে ‘মারা গেছেন খামেনি’ শীর্ষক বাক্য থাকলেও প্রচারিত ফটোকার্ডটিতে এর পরিবর্তে ‘বেঁচে আছে ইরানের নেতা’ শীর্ষক বাক্য লেখা হয়েছে।

অর্থাৎ, আরটিভির এই ফটোকার্ডটি সম্পাদনা করেই আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।

মূল ফটোকার্ড সংবলিত আরটিভির পোস্টের মন্তব্যের ঘরে পাওয়া গণমাধ্যমটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় মারা গেছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। এর আগে, বহুবার তার মৃত্যুর খবর ছড়ানো হলেও এবারের সংবাদ অনেকটাই নিশ্চিত। রোববার (১ মার্চ) খামেনির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ফারস নিউজ এজেন্সি ও তাসনিম নিউজ। খবর বিবিসির।

সুতরাং, ‘বেঁচে আছে ইরানের নেতা’ শিরোনামে আরটিভির নামে প্রচারিত ফটোকার্ডটি সম্পাদিত।

তথ্যসূত্র

  • Rumor Scanner’s analysis 
  • Rtv । আরটিভি- Facebook Post
Share: