শিক্ষামন্ত্রী মিলন গ্রেফতার দাবিতে পুরোনো ভিডিও প্রচার

সম্প্রতি, শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন গ্রেফতার হয়েছেন দাবিতে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে।

টিকটকে প্রচারিত পোস্ট দেখুন এখানে (আর্কাইভ)।

উক্ত প্রতিবেদন প্রকাশ অবধি ভিডিওটি ১ লাখ ২৭ হাজারবার দেখা হয়েছে।

ফ্যাক্টচেক

রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রচারিত ভিডিওটি সাম্প্রতিক সময়ের নয়। প্রকৃতপক্ষে, এহছানুল হক মিলন গ্রেফতারের ঘটনার পুরোনো ভিডিওর অডিওর অংশ সম্পাদনার মাধ্যমে তৈরি ভিডিওকে সাম্প্রতিক দাবিতে প্রচার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে অনুসন্ধানে ‘Dr. Ehsanul Hoque Milon’’ নামক ইউটিউব চ্যানেলে ২০২৪ সালের ১৪ নভেম্বর ‘এই অত্যাচারের শেষ কোথায় আমি জানতে চাই: আ ন ম এহছানুল হক মিলন’ শিরোনামে প্রচারিত একটি ভিডিও খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ভিডিওর সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফুটেজের মিল থাকলেও অডিও অংশের মিল পাওয়া যায়নি।

পরবর্তীতে, বৈশাখী টিভির ইউটিউব চ্যানেলে ২০১৮ সালের ২৩ নভেম্বর ‘এহসানুল হক মিলন কারাগারে’ শিরোনামে প্রচারিত একটি ভিডিও খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ভিডিওর শুরু থেকে ১২ সেকেন্ড অংশের অডিওর সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত অডিও অংশের মিল রয়েছে।

এ বিষয়ে আরো অনুসন্ধান করে প্রথম আলোর ওয়েবসাইটে ২০১৮ সালের ২৩ নভেম্বর প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সেদিন আ ন ম এহছানুল হক মিলনের জামিন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠিয়েছিল আদালত। আদালত তাঁকে তিনটি মামলায় শোন অ্যারেস্ট দেখিয়ে জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এহছানুল হক মিলনের আইনজীবী কামরুল ইসলামের বরাতে বলা হয়, মিলনের বিরুদ্ধে চাঁদপুরের কচুয়া থানা ও আদালতে হত্যা, চুরি, ছিনতাই, লুটপাট, ভাঙচুর, সন্ত্রাসী হামলাসহ ২৫টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৭টি মামলায় মিলনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

সেসময় এ বিষয়ে অন্যান্য গণমাধ্যমগুলোও সংবাদ (, ) প্রকাশ করে।

এছাড়া, গতকাল ১২ এপ্রিল রাজধানীর আজিমপুর সরকারি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের অডিটরিয়ামে ঢাকার কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যোগ দেন শিক্ষামন্ত্রী।

সুতরাং, সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষামন্ত্রী মিলন গ্রেফতারের দাবিটি ভুয়া ও বানোয়াট।

তথ্যসূত্র

Share: