সম্প্রতি, বাংলাদেশ ডিফেন্স জার্নালের সম্পাদক আবু রুশদ ‘বাংলাদেশের সাংবাদিকরা ভারতের কাছ থেকে বসরে ৬০/৭০ মিলিয়ন ডলার দালালি ভাতা পায়’ শীর্ষক মন্তব্য করেছেন দাবিতে Citizen Pulse নামের একটি সংবাদভিত্তিক পেজে ফটোকার্ড প্রকাশ করা হয়।
সিটিজেন পালসের করা ফটোকার্ড পোস্টটি দেখুন এখানে।

সিটিজেন পালসের ফটোকার্ডটি পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পরতে দেখা যায়। ফেসবুকে প্রচারিত এমন কিছু পোস্ট দেখুন এখানে (আর্কাইভ) এবং এখানে (আর্কাইভ)।
একই দাবিটি টেক্সট পোস্ট আকারেও প্রচার করা হয়। এধরনের কিছু পোস্ট দেখুন এখানে (আর্কাইভ) এবং এখানে (আর্কাইভ)।
ফ্যাক্টচেক
রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে দেখা যায়, আবু রুশদ আলোচিত মন্তব্যটি করেননি। প্রকৃতপক্ষে, কোনো প্রকার নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই সিটিজেন পালস তার নামে আলোচিত মন্তব্যটি প্রচার করে।
আলোচিত দাবিটির বিষয়ে অনুসন্ধানে সিটিজেন পালসের প্রচারিত ফটোকার্ড পোস্টটি পর্যালোচনা করেও আবু রুশদ কোথায় এমন মন্তব্য করেছেন এবিষয়ে কোনো সূত্রের উল্লেখ পাওয়া যায়নি। এমনকি অনুসন্ধানে অন্যকোনো গণমাধ্যম বা নির্ভরযোগ্য সূত্রেও তার এমন মন্তব্য করার তথ্য পাওয়া যায়নি।
পরবর্তীতে আবু রুশদের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট পর্যালোচনা করে এসংক্রান্ত একটি পোস্টের সন্ধান পাওয়া যায়। পোস্টটির মাধ্যমে তিনি জানান, বাংলাদেশের সাংবাদিকদের প্রসঙ্গে ভারতকে জড়িয়ে তিনি এমন কোনো মন্তব্য করেননি। তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা উল্লেখ করে প্রচারকারীরা ফটোকার্ডটি সরিয়ে নিবে এমন আশাও ব্যক্ত করেন তিনি পোস্টটির মাধ্যমে।

তার পোস্টের পরেই সিটিজেন পালস আলোচিত ফটোকার্ড পোস্টটি সরিয়ে দুঃখ প্রকাশকে আরেকটি ফটোকার্ড প্রকাশ করে। যা থেকে নিশ্চিত হওয়া যায়, আবু রুশদ বাস্তবিক অর্থেই এমন কোনো মন্তব্য করেননি।

সুতরাং, বাংলাদেশ ডিফেন্স জার্নালের সম্পাদক আবু রুশদ ‘বাংলাদেশের সাংবাদিকরা ভারতের কাছ থেকে বসরে ৬০/৭০ মিলিয়ন ডলার দালালি ভাতা পায়’ শীর্ষক মন্তব্য করেছেন দাবিতে প্রচারিত তথ্যটি সম্পূর্ণ মিথ্যা।


