নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে গিয়ে বিএনপি কর্তৃক জামায়াত নেত্রী গণধর্ষণের দাবিটি মিথ্যা

সম্প্রতি, “একজন জামাতের নেত্রী বিএনপি নেতার বাসায় গিয়েছিলো দাড়িপাল্লার প্রচারণায় তখন বাসাতে থাকা কয়েকজন মিলে জামাত নেত্রীকে গ’ণধ”র্ষণ করে” শীর্ষক দাবিতে একটি ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে।

ফেসবুকে প্রচারিত কিছু পোস্ট দেখুন: এখানে (আর্কাইভ), এখানে (আর্কাইভ), এখানে (আর্কাইভ), এখানে (আর্কাইভ), এখানে (আর্কাইভ)।
ফ্যাক্টচেক
রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, আলোচিত ভিডিওতে থাকা নারী ধর্ষণের শিকার হননি। প্রকৃতপক্ষে, গত ০৮ ফেব্রুয়ারি পটুয়াখালীর বাউফলে জামায়াতের ইসলামীর এক গর্ভবতী নেত্রীকে পেটে লাথি দেওয়ার অভিযোগ উঠে এক বিএনপি কর্মীর বিরুদ্ধে। তবে, সেখানে ধর্ষণের কোনো ঘটনা ঘটেনি। এমনকি জামায়াতের পক্ষ থেকেও ধর্ষণের কোনো দাবি করা হয়নি।
অনুসন্ধানে অনলাইন ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম bdtoday.net এর ফেসবুক পেজে গত ০৮ ফেব্রুয়ারি একটি ভিডিও পোস্ট করতে দেখা যায়। উক্ত ভিডিওর সাথে আলোচিত ভিডিওর মিল রয়েছে।

০১ মিনিট ২০ সেকেন্ডের ভিডিওতে পেটে লাথি দেওয়া সহ শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ করা হলেও ধর্ষণের কোনো অভিযোগ করা হয়নি।
এমনকি ভুক্তভোগী নেত্রীও ধর্ষণ নয় বরং, মারধরের এবং লাথি দেওয়ার অভিযোগ করেন।
উক্ত ঘটনাটি নিয়ে গত ০৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের পক্ষ থেকে একটি প্রতিবাদ বার্তা দেওয়া হয়েছে। সেখানেও ধর্ষণের ঘটনার কথা উল্লেখ নেই।
পাশাপাশি, প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড সার্চ করে ধর্ষণের সপক্ষে কোনো তথ্য গণমাধ্যম কিংবা বিশ্বস্ত সূত্রে পাওয়া যায়নি।
সুতরাং, নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে গিয়ে বিএনপি নেতা কর্তৃক জামায়াত নেত্রী গণধর্ষণের দাবিটি বিভ্রান্তিকর।
তথ্যসূত্র
- bdtoday.net- Facebook Post
- Star News- Facebook Post
- Bangladesh Jamaat-e-Islami, Women’s Wing- Facebook Post

