ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার ঘটনার পর ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দেহরক্ষী আটক হয়েছেন দাবিতে একটি ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে।

ফেসবুকে প্রচারিত পোস্ট দেখুন: এখানে (আর্কাইভ), এখানে (আর্কাইভ), এখানে (আর্কাইভ), এখানে (আর্কাইভ), এখানে (আর্কাইভ)।
ইনস্টাগ্রামে প্রচারিত পোস্ট দেখুন: এখানে (আর্কাইভ), এখানে (আর্কাইভ)।
ফ্যাক্টচেক
রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রচারিত ভিডিওটি আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দেহরক্ষী আটকের দৃশ্য নয়। প্রকৃতপক্ষে, গত বছর (২০২৫ সাল) সিরিয়ার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের গোয়েন্দা সংস্থার শাখা ২১৫-এর ‘স্টাডিজ’ বিভাগের প্রধান তায়সির উসমান মাহফুজকে গ্রেপ্তারের ভিডিওকে আলোচিত দাবিতে প্রচার করা হচ্ছে।
অনুসন্ধানে “شبكة أخبار سوريا” নামক একটি এক্স (সাবেক টুইটার) থেকে গত বছরের ২৫ এপ্রিল প্রচারিত একটি ভিডিও পাওয়া যায়। উক্ত ভিডিওর সাথে আলোচিত ভিডিওর মিল রয়েছে।

পোস্টের ক্যাপশন অনুযায়ী, এটি ‘অপরাধী আবু মুহাম্মদ তায়সিরকে’ গ্রেপ্তারের দৃশ্য।
উক্ত সূত্র ধরে অনুসন্ধানে আল জাজিরার ওয়েবসাইটে গত বছরের ২৪ এপ্রিল “الداخلية السورية تعتقل قياديا بمخابرات نظام الأسد” শিরোনামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সিরিয়ার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র আল জাজিরাকে জানিয়েছে যে, ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের শাসনামলে গোয়েন্দা সংস্থার শাখা ২১৫-এর “স্টাডিজ” বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত তায়সির উসমান মাহফুজকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সুতরাং, সিরিয়ার সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তার গ্রেপ্তারের পুরোনো ভিডিওকে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির দেহরক্ষী আটকের দৃশ্য দাবিতে প্রচার করা হচ্ছে; যা সম্পূর্ণ মিথ্যা।


