হারুন কিসিঞ্জারের মৃত্যুর দাবিটি ভুয়া 

সম্প্রতি, জনপ্রিয় কৌতুক অভিনেতা হারুন কিসিঞ্জার মারা গেছেন– শীর্ষক একটি দাবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে।

ফেসবুকে প্রচারিত কিছু পোস্ট দেখুন: এখানে (আর্কাইভ), এখানে (আর্কাইভ), এখানে (আর্কাইভ), এখানে (আর্কাইভ), এখানে (আর্কাইভ)।

একই দাবিতে টিকটক প্রাচারিত পোস্ট দেখুন এখানে

ফ্যাক্টচেক


রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, কৌতুক অভিনেতা হারুন কিসিঞ্জার মারা যাননি বরং, তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

অনুসন্ধানে শুরুতে প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড সার্চ করে মারা যাওয়ার কোনো তথ্য গণমাধ্যমে পাওয়া যায়নি।

তবে, ঢাকা পোস্টের ওয়েবসাইটে আজ (১৬ ফেব্রুয়ারি) “হারুন কিসিঞ্জারের মৃত্যুর গুজব, ক্ষুব্ধ ছেলে” শিরোনামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। উক্ত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, হারুন কিসিঞ্জার মারা যাওয়ার দাবিটি গুজব। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতায় ভুগছেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

পরবর্তীতে হারুন কিসিঞ্জারের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে গতকাল (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টা ৫০ মিনিটে দেওয়া একটি পোস্ট বলা হয়েছে, তিনি ঠিক আছেন। আগামীকাল অর্থাৎ, আজ (১৬ ফেব্রুয়ারি) হাসপাতাল থেকে বাসায় যাবেন।

এছাড়া, হারুন কিসিঞ্জারের ছেলে রুবেল খন্দকার মৃত্যুর দাবিটি প্রচারের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে গতকাল একটি পোস্ট করেন। বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি পোস্টে বলেন, অত্যন্ত দুঃখের সাথে লক্ষ্য করছি যে, কিছু অসাধু, বিবেকহীন এবং সস্তা ভিউ-লোভী মানুষ সোশ্যাল মিডিয়ায় আমার আব্বু হারুন কিসিঞ্জার-এর মৃত্যু নিয়ে নোংরা গুজব ছড়াচ্ছে। মানুষের অসুস্থতা নিয়ে যারা ব্যবসা করতে চায় এবং মিথ্যে সংবাদ প্রচার করে, তারা সমাজের আবর্জনা। প্রকৃত তথ্য: আলহামদুলিল্লাহ, আমার আব্বু আগের চেয়ে এখন অনেকটাই সুস্থ আছেন। তিনি আমাদের মাঝেই আছেন এবং সুস্থতার পথে রয়েছেন।

হারুন কিসিঞ্জারের আরেক ছেলে সোহেল খন্দকারও গতকাল একটি পোস্টে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমার আব্বু সুস্থ আছেন। আগামীকাল বাসা নিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে।

বিষয়টি অধিকতর যাচাইয়ের জন্য হারুন কিসিঞ্জারের ছোট ছেলে সোহেল খন্দকার বলেন, ‘তিনি বাসা আছেন। আলহামদুলিল্লাহ আগের থেকে ভালো আছেন।’

সুতরাং, হারুন কিসিঞ্জার মারা যাওয়ার দাবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা।

তথ্যসূত্র

Share: