গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশটির বিভিন্ন স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এ ঘটনায় ইরান মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা করে। এরই প্রেক্ষিতে, ‘ইসরায়েলের সাজোয়া গাড়ি ও সৈনিক, ইরানি সৈনিক রা আটক করে।’’ শিরোনামে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে।

উক্ত দাবিতে ফেসবুকে প্রচারিত পোস্ট দেখুন এখানে (আর্কাইভ), এখানে (আর্কাইভ), এখানে (আর্কাইভ)।
ইনস্টাগ্রামে প্রচারিত পোস্ট দেখুন এখানে (আর্কাইভ), এখানে (আর্কাইভ)।
ফ্যাক্টচেক
রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, প্রচারিত ভিডিওটি সাম্প্রতিক সময়ে ইরানি সৈনিকদের হাতে সাজোয়া যানসহ ইসরায়েলি
সৈন্য আটকের কোনো ঘটনার নয়। প্রকৃতপক্ষে, অন্তত ২০২৫ সালের নভেম্বর থেকে ইন্টারনেটে বিদ্যমান একটি ভিডিওকে আলোচিত দাবিতে প্রচার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অনুসন্ধানে محبي التبليطة و فشيفش أبناء الساحل السوري’ ‘নামক একটি ফেসবুক গ্রুপে ‘يوسف أحمد النصر’ নামক অ্যাকাউন্ট থেকে ২০২৫ সালে ২৭ নভেম্বর প্রচারিত একটি ভিডিও খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ভিডিওর সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফুটেজের মিল রয়েছে।

উক্ত ভিডিওর ক্যাপশনে দাবি করা হয়, এটি আলেপ্পোর পশ্চিমাঞ্চলের আইনজারা এলাকায় পতিত আসাদপন্থী মিলিশিয়াদের একটি শিলকা সাঁজোয়া যানচালককে আটক করার ভিডিও।
এছাড়া, সেসময় উক্ত ভিডিওটি (১, ২, ৩) বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একই দাবিতে প্রচার হতে দেখা যায়।
অর্থাৎ, ভিডিও কোন ঘটনায় ধারণকৃত তা নিশ্চিত হওয়া না গেলেও এটি নিশ্চিত যে, ভিডিওটি সাম্প্রতিক সময়ের নয়।
সুতরাং, অন্তত গতবছরের নভেম্বর থেকে ইন্টারনেটে বিদ্যমান একটি ভিডিওকে ইরানি সৈনিকদের হাতে সাজোয়া যানসহ ইসরায়েলি সৈন্য আটকের দৃশ্য দাবিতে প্রচার করা হয়েছে; যা মিথ্যা।
তথ্যসূত্র
- يوسف أحمد النصر – Facebook Post


