গতকাল, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬। এরপরই শুরু হয়েছে ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণার কার্যক্রম। এ সংক্রান্ত ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়া অপতথ্যের বিপরীতে সঠিক তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে তুলে ধরতে রিউমর স্ক্যানারের এই লাইভ আপডেট।
কুইক লিংকনির্বাচন বিষয়ক সকল ফ্যাক্টচেকগণভোট বিষয়ক সকল ফ্যাক্টচেকপরিসংখ্যান
ফ্যাক্টচেক ১ : রাত ১২ টা ১০ মিনিট

দাবি: ঢাকা-১৩ আসনের একটি কেন্দ্রে বিজয়ী সেজদা।
ফ্যাক্ট: দাবিটি সঠিক নয়। প্রচারিত ভিডিওটি গত বছরের সেপ্টেম্বরের। এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনকে ঘিরে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সমর্থকদের সেজদা দেওয়ার দৃশ্য। বর্তমান জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে ভিডিওটির কোনো সম্পর্ক নেই।
ফ্যাক্টচেক ২ : সকাল ৯ টা ৩১ মিনিট

দাবি: আমি নির্বাচনে হেরে গেছি। আমার সব আশা শেষ। – তারেক রহমান। টিকটকে এমন একটি ভিডিও প্রচার হচ্ছে যেখনে তাকে এমন দাবি করতে দেখা যাচ্ছে।
ফ্যাক্ট: গতকাল ভোট দিতে গিয়ে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন তারেক রহমান। সে সময়ের ফুটেজ কাজে লাগিয়ে ডিপফেক এই ভিডিও বানিয়ে প্রচার করা হচ্ছে। আদতে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি উক্ত দাবি সংবলিত কোনো মন্তব্যই করেননি।
ফ্যাক্টচেক ৩ : সকাল ১০ টা ৫ মিনিট

দাবি: সিরাজগঞ্জের ৬টি আসনেই বিএনপির বিজয় শিরোনামে মূলধারার সংবাদমাধ্যম ‘কালবেলা’ একটি ফটোকার্ড প্রচার করে।
ফ্যাক্ট: সিরাজগঞ্জের ৬টি আসনেই বিএনপির প্রার্থীদের জয়ী হওয়ার দাবিটি সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে, ৫টি আসনে বিএনপি এবং ১টি আসনে জামায়াতের প্রার্থী জয়লাভ করেছে। এছাড়া, আলোচিত সংবাদে জামায়াতের বিজয়ী প্রার্থীর ছবি যুক্ত করলেও শিরোনামে তাকে বিএনপির প্রার্থী বলে উল্লেখ করেছে গণমাধ্যমটি।
ফ্যাক্টচেক ৪ : সকাল ১০ টা ৮ মিনিট

দাবি : কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর বলেছেন, ‘ভোট জালিয়াতি দেখে মনে হচ্ছে বিএনপি আওয়ামী লীগের রূপ ধারণ করেছে’।
ফ্যাক্ট: এরূপ কোনো মন্তব্য করেননি আসিফ আকবর। কোনোরকম নির্ভরযোগ্য তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই আলোচিত দাবি প্রচার করা হচ্ছে।
ফ্যাক্টচেক ৫: সকাল ১০ টা ১৩ মিনিট

দাবি: ‘জামায়াত ৫ আসনও পাবেনা, যদি পায় তবে এইটা আমার রাজনীতি শিখা হয় নাই নির্বাচনের আগে- সিদ্দিকী’ শিরোনামে একাত্তর টিভির লোগো সংবলিত একটি ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
ফ্যাক্ট: উক্ত ফটোকার্ডটি সম্পাদিত। এছাড়া, কাদের সিদ্দিকীও আলোচিত মন্তব্যটি করেননি। অনুসন্ধানে দেখা যায়, একাত্তর টিভির ফেসবুক পেজে প্রচারিত ভিন্ন ও পুরোনো ফটোকার্ড সম্পাদনা করে ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
ফ্যাক্টচেক ৬ : সকাল ১০ টা ৩৪ মিনিট

দাবি: বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে সন্তুষ্ট নয় ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ১৪ তারিখে চুড়ান্ত মূল্যায়ন জানাবে ইইউ মিশন। টিকটকে এ সংক্রান্ত একটি ভিডিও দেখা হয়েছে ১ লক্ষাধিক বার।
ফ্যাক্ট: মূল ভিডিওতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস গতকাল দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে ভোট পরিদর্শনের পর নির্বাচনের ভোটাভুটি নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘দুপুর পর্যন্ত আমরা ভোটারদের মধ্য যথেষ্ট উদ্দীপনা দেখছি। আমরা চাই, বিকেল পর্যন্ত এই উৎসাহ বজায় থাকুক।’ এ সময় সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে নির্বাচন নিয়ে কোনো অসন্তুষ্টির কথা তাকে বলতে শোনা যায়নি।
ফ্যাক্টচেক ৭: সকাল ১০ টা ৫৬ মিনিট

দাবি : এনসিপি নেতা ও পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী সারজিস আলম বলেছেন, ‘আমি দেশ স্বাধীন করলাম, আর আমাকেই বাঙালি ভোট দিল না… এই জীবনে আর কোনোদিন কোনো আন্দোলন করব না!’
ফ্যাক্ট: এরূপ কোনো মন্তব্য করেননি সারজিস আলম। প্রকৃতপক্ষে ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট হিসেবে সূত্রপাত হলেও পরবর্তীতে আসল খবর দাবিতে প্রচার করা হয়। এছাড়া, তিনি পরাজয় মেনে বিজয়ী প্রার্থীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং পাশাপাশি দু–একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা বাদে একটি সুন্দর নির্বাচন উপহার দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
ফ্যাক্টচেক ৮: সকাল ১১ টা ২৯ মিনিট

দাবি: “হবিগঞ্জ-৪ আসন থেকে বিজয়ী গিয়াস উদ্দিন তাহেরি” শীর্ষক একটি দাবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে।
ফ্যাক্ট: দাবিটি মিথ্যা। প্রকৃতপক্ষে, উক্ত আসনে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এসএম ফয়সাল।
ফ্যাক্টচেক ৯: সকাল ১১ টা ৩৫ মিনিট

দাবি: বরিশাল-৫ আসন থেকে পীর সাহেব চরমোনা খ্যাত ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির ও হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম ৮০% ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।
ফ্যাক্ট: দাবিটি সত্য নয়। তিনি বরিশাল-৫ ও বরিশাল-৬ উভয় আসনেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং দুই আসনেই ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর কাছে পরাজিত হন।
ফ্যাক্টচেক ১০: সকাল ১১ টা ৪৪ মিনিট

দাবি: “তৃতীয় এমপি হিসেবে নাম লিখলেন সারজিস আলম” শীর্ষক একটি দাবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে।
ফ্যাক্ট: দাবিটি মিথ্যা। প্রকৃতপক্ষে, উক্ত আসনে বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফলে সারজিস আলম হেরেছেন এবং জয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নওশাদ জমির।
ফ্যাক্টচেক ১১: দুপুর ১ টা ০৬ মিনিট

দাবি: নির্বাচনে হারের পর ব্যারিস্টার ফুয়াদের বিএনপির বিরুদ্ধে আরেকটি গণঅভ্যুত্থানের হুশিয়ারি।
ফ্যাক্ট: দাবিটি মিথ্যা। সেনাবাহিনীর একটি অংশকে ইঙ্গিত করে তাদের আওয়ামী লীগ সমর্থিত দাবি করে ব্যারিস্টার ফুয়াদের দেওয়া পুরোনো বক্তব্যের ভিডিও কাটছাঁট করে আলোচিত দাবিতে প্রচার করা হচ্ছে।
ফ্যাক্টচেক ১২: দুপুর ১ টা ০৯ মিনিট

দাবি: ‘ঢাকা ১৫ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বিজয়ী হয়েছেন’ শীর্ষক একটি দাবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে।
ফ্যাক্ট: দাবিটি মিথ্যা। প্রকৃতপক্ষে, ঢাকা ১৫ আসনে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতের ইসলামীর আমীর শফিকুর রহমান।
ফ্যাক্টচেক ১৩: দুপুর ১ টা ৩৫ মিনিট

দাবি: তারেক রহমানকে ড. ইউনূস কর্তৃক ফুলের মারা পরিয়ে দেওয়ার একটি ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে।
ফ্যাক্ট: প্রচারিত ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি। মূলত, ভিন্ন একটি ছবিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এর সহযোগিতায় আলোচিত ছবিটি তৈরি করা হয়েছে।
ফ্যাক্টচেক ১৪: দুপুর ১ টা ৪০ মিনিট

দাবি: তিন ঘন্টার মধ্যে ফলাফলে ব্যবধান হওয়ার দাবিতে বাংলাভিশনের দুইটি ফটোকার্ড প্রচার করা হচ্ছে। ফটোকার্ডগুলোতে দেখা যায়, রাত ৩:৫৩ মিনিটে প্রচারিত ফটোকার্ডে বিএনপি-৭৭, জামায়াতে ইসলামী-৮৪, এনসিপি-৪, অন্যান্য-৭ এবং ৬:৩৬ মিনিটে প্রচারিত ফটোকার্ডে বিএনপি-২০৯, জামায়াতে ইসলামী-৬৪, এনসিপি-৫, অন্যান্য-১১ আসন পেয়েছেন বলে উল্লেখ রয়েছে।
ফ্যাক্ট: অনুসন্ধানে দেখা যায়, দ্বিতীয় ফটোকার্ডটি অর্থাৎ ৬:৩৬ মিনিট উল্লেখ থাকা ফটোকার্ডটি বাংলাভিশনের হলেও ৩:৫৩ মিনিট উল্লেখ থাকা প্রথম ফটোকার্ডটি বাংলাভিশনের নয়, এই ফটোকার্ডটি সম্পাদিত। বাংলাভিশন কর্তৃক ৩:৫৩ মিনিটে প্রকাশিত ফটোকার্ডে বিএনপি-১৮৮, জামায়াতে ইসলামী-৪৭, এনসিপি-৪, অন্যান্য-৭ আসন পেয়েছেন বলে উল্লেখ রয়েছে। এছাড়া, প্রচারিত ফটোকার্ডটিতে উল্লেখ থাকা বিএনপি ও জামায়াতের পাওয়া সংখ্যার ফন্ট সাইজের সাথে বাংলাভিশনের ফটোকার্ডের ফন্ট সাইজের অমিলও পরিলক্ষিত হয়।
ফ্যাক্টচেক ১৫ : দুপুর ২ টা ৩৩ মিনিট

দাবি: জামায়াতে ইসলামী ২৭৬ আসনে জয়ী। এ সংক্রান্ত একটি টিকটক ভিডিও দেখা হয়েছে প্রায় ৩ লক্ষাধিক বার।
ফ্যাক্ট: ভিডিওটি এআই দিয়ে তৈরি৷ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯৭টি আসনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঘোষিত ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি জোট পেয়েছে ২১২ আসন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জোট পেয়েছে ৭৭, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১টি, স্বতন্ত্ররা পেয়েছে ৭টি আসন।
ফ্যাক্টচেক ১৬ : বিকেল ৪ টা ৪৬ মিনিট

দাবি: ‘ঢাকা-১৬ আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আমিনুল হক’ শীর্ষক একটি দাবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে।
ফ্যাক্ট: দাবিটি মিথ্যা। ঢাকা-১৬ আসনে বিজয়ী হয়েছেন জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. আব্দুল বাতেন।
ফ্যাক্টচেক ১৭ : বিকেল ৪ টা ৪৮ মিনিট

দাবি: ঢাকা-১৩ আসনে মাওলানা মামুনুল হক জয়ী হয়েছেন বলে একটি দাবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে।
ফ্যাক্ট: দাবিটি মিথ্যা। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর ঢাক-১৩ আসনে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ববি হাজ্জাজ। মূলত, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রথমে মামুনুল হক বিজয়ী হয়েছেন এমন একটি দাবি ছড়িয়ে পড়লেও পরবর্তীতে সেটি সংশোধন করেছে।
ফ্যাক্টচেক ১৮ : বিকেল ৪ টা ৫০ মিনিট

দাবি: “৬৮% মানুষ ভোট দেয়নি” শীর্ষক একটি দাবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে।
ফ্যাক্ট: দাবিটি মিথ্যা। প্রকৃতপক্ষে, নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে সারাদেশে ভোট কাস্ট হয়েছে ৫৯.৪৪ শতাংশ। সেই হিসেবে ভোট কাস্ট হয়নি ৪০.৫৬ শতাংশ।
ফ্যাক্টচেক ১৯ : বিকেল ৪ টা ৫১ মিনিট

দাবি: “আমাদেরকে বিজয়ী করার জন্য আ.লীগের সকল নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ” বলে মন্তব্য করেছেন তারেক রহমান শীর্ষক একটি দাবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে।
ফ্যাক্ট: দাবিটি মিথ্যা। উক্ত দাবিটি প্রথমে একটি সার্কাজম পেজ থেকে প্রচার করা হয়। যা পরবর্তীতে বাস্তব দাবিতে ছড়িয়ে পড়েছে।
ফ্যাক্টচেক ২০: বিকেল ৪ টা ৫৩ মিনিট

দাবি: ‘সংসদ সদস্য (এমপি) হিসেবে নাম লেখালেন নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী’ শীর্ষক একটি দাবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে।
ফ্যাক্ট: দাবিটি মিথ্যা। ঢাকা-৮ আসনে নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী এবং বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মির্জা আব্বাসের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর জয় লাভ করেছেন মির্জা আব্বাস।
ফ্যাক্টচেক ২১: বিকেল ৪ টা ৫৭ মিনিট

দাবি: ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমান ভোট পেয়েছেন ২ লাখ ৫৬ হাজার। জামায়াত নেতা ডা. খালিদুজ্জামান পেয়েছেন ৫৬ হাজার ভোট।
ফ্যাক্ট: দাবিটি মিথ্যা। ঢাকা-১৭ আসনের বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান পেয়েছেন ৭২ হাজার ৬৯৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী স ম খালিদুজ্জামান পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৩০০ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৪ হাজার ৩৯৯ ভোট বেশি পেয়ে জয়ী হয়েছেন তারেক রহমান।
ফ্যাক্টচেক ২২: সন্ধ্যা ৬ টা ৩৯ মিনিট

দাবি: কোটি কোটি টাকা বিলিয়েও নির্বাচনে জয়ী হতে না পারায় জামায়েত নেতার আহাজারির ভিডিও
ফ্যাক্ট: দাবিটি মিথ্যা। শেরপুর – ৩ আসনে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিমের মৃত্যুতে জামায়াত নেতাদের আহাজারি ভিডিও এটি।
ফ্যাক্টচেক ২৩: সন্ধ্যা ৬ টা ৪১ মিনিট

দাবি: কুমিল্লা-৪ আসনে ১ লক্ষ ৭২ হাজার ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন শাপলা কলির প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ।
ফ্যাক্ট: দাবিটি সঠিক নয়। এনসিপির প্রার্থীহাসনাত আবদুল্লাহ পেয়েছেন ১ লক্ষ ৬০ হাজার ভোট।
ফ্যাক্টচেক ২৪: রাত ৯ টা ০৭ মিনিট

দাবি: ‘চরমোনাইয়ের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার ফলেই জামায়াতের চরম পরাজয় হয়েছে’ শিরোনামে জাতীয় দৈনিক আমার দেশের একটি ফটোকার্ড ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে।
ফ্যাক্ট: ফটোকার্ডটি ভুয়া। আমার দেশের ফেসবুক পেজে এমন কোনো ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়নি।
ফ্যাক্টচেক ২৫: রাত ৯ টা ১৯ মিনিট

দাবি: আগামীকাল (১৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা-১৩ আসনে পুনরায় ভোট গণনা করা হবে।
ফ্যাক্ট: দাবিটি মিথ্যা। নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক খবরটিকে গুজব হিসেবে নিশ্চিত করেছেন। এছাড়া, মামুনুল হক ফেসবুক লাইভে অনিয়মের অভিযোগ তুললেও পুনরায় ভোট গণনার কোনো তথ্য দেননি। তিনি বলেন, অভিযোগ নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইসি সচিবের কাছে গেলেও কোনো পক্ষই দায় গ্রহণ করেনি।
ফ্যাক্টচেক ২৬: রাত ৯ টা ৩১ মিনিট

দাবি: নির্বাচনের পর সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার ছবি পোড়ানোর দৃশ্য।
ফ্যাক্ট: দাবিটি বিভ্রান্তিকর। ভিডিওটি বর্তমান সময়ের নয়, বরং ২০২৫ সালের নভেম্বরের। ৪৭তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষা পেছানোর দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা তৎকালীন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের ছবি পুড়িয়েছিলেন; সেই পুরনো ঘটনার ভিডিওই বর্তমান সময়ের দাবিতে প্রচার করা হচ্ছে।
ফ্যাক্টচেক ২৭: রাত ৯ টা ৩২ মিনিট

দাবি: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিবির ও এনসিপির আবাসিক শিক্ষার্থীদের ছাত্রদলের কর্মীদের দ্বারা হল থেকে বের করে দেওয়ার ভিডিও।
ফ্যাক্ট: দাবিটি মিথ্যা। প্রকৃতপক্ষে, ২০১৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘নিপীড়ন বিরোধী’ ব্যানারে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হামলার ভিডিও এটি।
ফ্যাক্টচেক ২৮: রাত ৯ টা ৩৩ মিনিট

দাবি: ‘আমেরিকায় ফিরে যাচ্ছেন ডা. তাসনিম জারা’ শিরোনামে জাতীয় দৈনিক যুগান্তরের একটি ফটোকার্ড ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে।
ফ্যাক্ট: ফটোকার্ডটি সম্পাদিত। মূলত, যুগান্তরের ভিন্ন একটি ফটোকার্ড সম্পাদনা করে আলোচিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া, তাসনিম জারা নিজ ফেসবুক পেজ আজ দুপুরে থেকে দেওয়া এক পোস্টে বলেছেন, তিনি দেশেই থাকবেন।
ফ্যাক্টচেক ২৯ : রাত ১০ টা ১২ মিনিট

দাবি: নির্বাচনে বিজয় উদযাপনের জন্য বিএনপির চেয়ারম্যান তারিক রহমান সকলকে বিনামূল্যে ৩০ জিবি ইন্টারনেট ডেটা দিচ্ছেন।
ফ্যাক্ট: দাবিটি ভুয়া। প্রকৃতপক্ষে, প্রতারণার উদ্দেশ্যে ভুয়া সাইট তৈরি করে উক্ত অফার প্রদানের প্রলোভন দেখানো হচ্ছে। এ ধরনের স্ক্যাম লিংকের মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়া আইডি হ্যাক, ব্যক্তিগত ডাটা চুরি এবং ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের অনলাইন নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার নজির রয়েছে।
ফ্যাক্টচেক ৩০ : রাত ১০ টা ৩৭ মিনিট

দাবি: ঢাকা-৮ এর ফলাফল রিভিউ করা হবে। আপিল আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে।
ফ্যাক্ট: দাবিটি মিথ্যা। নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ শাখার পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিক রিউমর স্কানারকে জানিয়েছেন, ফলাফল রিভিউ করা হচ্ছে না। আর নির্বাচন কমিশনে আপিল আবেদন করার কোনো সুযোগ নেই। নির্বাচনের ফলাফল গেজেট হিসেবে প্রকাশিত হওয়ার পর প্রার্থীরা হাইকোর্টে আপিল করতে পারবেন। কিন্তু এর আগে সেটার সুযোগ নেই।
ফ্যাক্টচেক ৩১ : রাত ১০ টা ৪৩ মিনিট

দাবি: আসলে বাঙালি জাতি বড় অকৃতজ্ঞ জাতি। শুক্র, শনিসহ মানিসহ টানা ৫ দিন সরকারি ছুটি দেওয়ার পরেও ৫০ পার্সেন্ট মানুষও ভোট দিতে গেল না। -শফিকুল আলম
ফ্যাক্ট: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এমন কোনো মন্তব্য করেননি।
ফ্যাক্টচেক ৩২ : রাত ১১ টা ১৮ মিনিট

দাবি: গণভোটের হার ১৪%
ফ্যাক্ট: ইসির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গণভোটের হার ৬০.২৬ শতাংশ।
ফ্যাক্টচেক ৩৩ : রাত ১১ টা ৪৮ মিনিট

দাবি: দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেওয়ায় বাড়িতে অগ্নিসংযোগ।
ফ্যাক্ট: দাবিটি সঠিক নয়। ভিডিওটি নির্বাচনের প্রায় ১০ দিন আগে থেকে ইন্টারনেটে প্রচারিত হতে দেখা যায়। এছাড়াও ভিডিওটি প্রথম প্রচারকারী টিকটক অ্যাকাউন্টে একই ঘটনায় প্রচারিত আরেকটি ভিডিওর মন্তব্যের ঘরে পোস্টকারী বলেন, রান্না ঘরের আগুন থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
ফ্যাক্টচেক ৩৪: রাত ১১ টা ৪৯ মিনিট

দাবি: ‘আমি ১০০% গ্যারান্টি দিতে পারব ঢাকা-৮ আসনের ভোট কারচুপির হয়েছে’ – আসিফ আকবর।
ফ্যাক্ট: দাবিটি মিথ্যা। আসিফ আকবর এমন কোনো মন্তব্য করেননি বলে তিনি নিজে রিউমর স্ক্যানারকে নিশ্চিত করেছেন।
ফ্যাক্টচেক ৩৫: রাত ১১ টা ৫৫ মিনিট

দাবি: সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সংবাদমাধ্যম ‘আমার দেশ’ এর লোগো সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়েছে, ‘অনিয়মের অভিযোগে ভোট বর্জন যশোর-২ জামায়াতের প্রার্থী ড. মসলেউদ্দীন ফরিদের’।
ফ্যাক্ট: এমন কোনো ফটোকার্ড ‘আমার দেশ’ এর ফেসবুক পেজে পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি, আমার দেশের প্রচলিত ফটোকার্ডের ফন্টের সাথেও আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডগুলোর ফন্টের পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। এছাড়া, মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ নিজেই আলোচিত দাবি ভুয়া বলে একটি পোস্টে জানিয়েছেন।


