তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে ৪২ দিনে ৪৫টি ভুয়া মন্তব্য প্রচার, নেপথ্যে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট

- গণমাধ্যমের সম্পাদিত ফটোকার্ডের মাধ্যমে তারেক রহমানের নামে ৪৫টি ভুয়া মন্তব্য প্রচার
- ১৬টি গণমাধ্যমের নামে এসব সম্পাদিত ফটোকার্ডগুলো প্রচার করা হয়েছে
- সবচেয়ে বেশি সম্পাদিত ফটোকার্ডের শিকার ‘সমকাল’
- অন্তত ১৩টি ফেসবুক গ্রুপে একই সময়ে এই সম্পাদিত ফটোকার্ডগুলো প্রচার করা হয়েছে
- সবগুলো ভুয়া মন্তব্যই প্রচার করা হয়েছে ‘বালবেলা নিউজ’ নামক একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে
দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে গেল বছরের ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দেশে আসার পর থেকে নিয়মিতই যোগ দিচ্ছেন নানা সভা-সমাবেশে। এসব অনুষ্ঠানে তার দেওয়া নানা বক্তব্য নিয়ে দেশের রাজনৈতিক পাড়া সরগরম হয়ে উঠেছে। গণমাধ্যমগুলো তাদের অন্যান্য মাধ্যমের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হ্যান্ডেলগুলোতেও তার বক্তব্য গুরুত্বের সহকারে প্রচার করছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে এই বক্তব্য প্রচারের অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠেছে ফটোকার্ড। গণমাধ্যমের এসব ফটোকার্ডের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে বিভিন্ন গণমাধ্যমকে জড়িয়ে নকল ফটোকার্ড প্রচারের বিষয়ও বেশ লক্ষণীয়।

গত ২৭ ডিসেম্বর থেকে চলতি মাসের ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ‘বালবেলা নিউজ’ নামক একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে প্রচারিত এমন ৪৫টি নকল বা সম্পাদিত ফটোকার্ড শনাক্ত করেছে রিউমর স্ক্যানার টিম। ১৬টি গণমাধ্যমের ডিজাইন নকল করে এই সম্পাদিত ফটোকার্ডগুলো তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে সমকালের নামে সাতটি, বাংলাভিশনের নামে চারটি, চ্যানেল২৪ এর নামে চারটি, ডিবিসি নিউজের নামে চারটি, এখন টিভির নামে চারটি, যমুনা টিভির নামে তিনটি, কালের কণ্ঠের নামে তিনটি, কালবেলার নামে তিনটি, প্রথম আলোর নামে দুইটি, যুগান্তরের নামে দুইটি, আরটিভির নামে দুইটি, একাত্তর টিভির নামে দুইটি, ফেস দ্যা পিপলের নামে দুইটি এবং এনটিভি, বিডি টুডে ও উজ্জীবিত বাংলাদেশের নামে একটি করে নকল বা সম্পাদিত ফটোকার্ড প্রচার করা হয়েছে।

২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
দেশ ফেরার পরপরই বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান গেল বছরের ২৭ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান এবং জিয়ারত করেন। এরই প্রেক্ষিতে, তারেক রহমান বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে হাদীর হত্যাকারী উল্লেখ করে ক্ষমতায় আসলে তার বিচার করবেন বলে মন্তব্য করেছেন শীর্ষক দাবিতে বাংলাভিশনের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার হতে দেখা গেছে।
এ বিষয়ে অনুসন্ধানে বাংলাভিশনের ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে
গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর বাংলাভিশন কর্তৃক প্রকাশিত এমন কোনো ফটোকার্ডের সন্ধান মেলেনি। তবে, একইদিন “শহীদ হাদির কবর জিয়ারতের সময়তারেক রহমানের সঙ্গে ডাকসু ভিপি” শিরোনামে বাংলাভিশন কর্তৃক প্রকাশিত একটি ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, বাংলাভিশনের এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
৫ জানুয়ারি, ২০২৬
এদিন যমুনা টেলিভিশনের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “ “মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১’ আমাদের ভিত্তি” ভারত ৭১ এ আমাদের’কে সাহায্য করছে, ২৬ শের জাতীয় নির্বাচনেও ভারত বিএনপি’কে সাহায্য করবে।”
এ বিষয়ে যাচাইয়ে যমুনা টেলিভিশনের ফেসবুক পেজ ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে আলোচিত ফটোকার্ডটির অস্তিত্ব মেলেনি। পাশাপাশি গণমাধ্যমটিতে আলোচিত দাবি সমর্থিত কোনো সংবাদও পাওয়া যায়নি। তবে, একই দিনে যমুনা টিভির ফেসবুক পেজে তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে “মুক্তিযুদ্ধই আমাদের ভিত্তি, একাত্তর বাদ দিলে দেশের অস্তিত্ব থাকবে না” শীর্ষক মন্তব্য সংবলিত
একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, যমুনা টেলিভিশনের এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
একই দিন চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “একাত্তর বাদ দিলে ভারত বিএনপির উপর নারাজ হবে।”
গণমাধ্যমটির ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে উল্লেখিত ফটোকার্ডটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে, একই দিনে চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের ফেসবুক পেজে তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে “একাত্তর বাদ দিলে দেশের অস্তিত্ব থাকবে না” শীর্ষক মন্তব্য সংবলিত একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
৬ জানুয়ারি, ২০২৬
এদিন দৈনিক উজ্জীবিত বাংলাদেশ নামক একটি অনলাইন পোর্টালের লোগো সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, উজ্জীবিত বাংলাদেশকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান বলেছেন- “এবার হাওয়া ভবন এর পরিবর্তে গুলশানে বিদেশি মদের বার বসাবেন ছাত্রদলের এক্টিভিস্টদের জন্য।”
অনুসন্ধানে অনলাইন নিউজ পোর্টালটির ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে উল্লেখিত ফটোকার্ডটির খোঁজ মেলেনি। তবে, একই দিনে নিউজ পোর্টালটির ফেসবুক পেজে “আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করবেন তারেক রহমান” শিরোনামে প্রকাশিত একটি ফটোকার্ডের সন্ধান পাওয়া যায়। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, দৈনিক উজ্জীবিত বাংলাদেশের এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
১০ জানুয়ারি, ২০২৬
এদিন সমকালের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “আমার নেতাকর্মীদের চাঁদাবাজি ও খুনখারাপির কারণে সামনের নির্বাচন’টা কঠিক হয়ে দাড়িয়েছে।”
অনুসন্ধানে, সংবাদমাধ্যমটির ফেসবুক পেজ , ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে উল্লেখিত ফটোকার্ডটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে, একই দিনে সমকালের ফেসবুক পেজে তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে “সামনে অনেক কঠিন চ্যালেঞ্জ” শীর্ষক মন্তব্য সংবলিত একটি ফটোকার্ডের অস্তিত্ব মেলে। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, সমকালের এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
১৭ জানুয়ারি, ২০২৬
এদিন একাধিক গণমাধ্যমের নাম ব্যবহার করে তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে ছয়টি ফটোকার্ড প্রচার করা হয়েছে।
যমুনা টেলিভিশনের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “আমার নেতাকর্মীরা কৌশলে চাঁদাবাজি, দখলদারি, খুনখারাবি এগুলো দেশের কল্যাণের জন্যই করছে-বলে মন্তব্য করছেন: জনাব তারেক রহমান।”
এ বিষয়ে যাচাইয়ে যমুনা টেলিভিশনের ফেসবুক পেজ ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে আলোচিত ফটোকার্ডটির অস্তিত্ব মেলেনি। পাশাপাশি গণমাধ্যমটিতে আলোচিত দাবি সমর্থিত কোনো সংবাদও পাওয়া যায়নি। তবে, একই দিনে যমুনা টিভির ফেসবুক পেজে তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে “কৌশলের নামে গুপ্ত বা সুপ্ত রূপ ধারণ করেনি বিএনপি’র নেতাকর্মীরা” শীর্ষক মন্তব্য সংবলিত
একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, যমুনা টেলিভিশনের এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
একইদিন কালবেলার ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “কৌশলে চাঁদাবাজি, দখবাজি এগুলো কর্মের আওতায় পড়ে। তার পরেও আমার নেতাকর্মীরা নির্বাচন পর্যন্ত এইসব থেকে বিরত থাকার অনুরোধ রইলো”।
অনুসন্ধানে, কালবেলার ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট এবং ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে আলোচিত ফটোকার্ডটির অস্তিত্ব মেলেনি। পাশাপাশি গণমাধ্যমটিতে আলোচিত দাবি সমর্থিত কোনো সংবাদও পাওয়া যায়নি। তবে, একই দিনে কালবেলার ফেসবুক পেজে তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে “কৌশলের নামে গুপ্ত-সুপ্ত বেশ ধারণ করেনি বিএনপি” শীর্ষক মন্তব্য সংবলিত একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, কালবেলার এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
এখন টেলিভিশনের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “কৌশলে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, মানুষ হত্যা নির্বাচন পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করা হলো।”।
অনুসন্ধানে, গণমাধ্যমটির ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে উল্লেখিত ফটোকার্ডটির সন্ধান মেলেনি। পাশাপাশি গণমাধ্যমটিতে আলোচিত দাবি সমর্থিত কোনো সংবাদও পাওয়া যায়নি। তবে, একই দিনে এখন টিভির ফেসবুক পেজে তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে
“গত ১৬ বছরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে কৌশলে সুপ্ত বা গুপ্ত বেশ ধারণ করেনি বিএনপির নেতাকর্মীরা” শীর্ষক মন্তব্য সংবলিত একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম, শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ও শিরোনামের বেকগ্রাউন্ডে ব্যবহৃত কালার ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, এখন টিভির এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “কৌশলে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখলবাজি করা জায়েজ আছে।”
গণমাধ্যমটির ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে উল্লেখিত ফটোকার্ডটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে, একই দিনে চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের ফেসবুক পেজে তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে “কৌশলের নামে গুপ্ত বেশ ধারণ করেনি বিএনপি নেতাকর্মীরা” শীর্ষক মন্তব্য সংবলিত একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
এদিন বাংলাভিশনের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “আমাকে একটা গুষ্টি খাম্বা তারেক বলে, চাঁদাবাজ বলে, টেন্ডারবাজ বলে, দখলদার বলে, পলাতক আসামি বলে, অথচ মানুষ জানেই না এইসব কৌশল কেন করতে হয়েছে আমা’কে!”।
অনুসন্ধানে, গণমাধ্যমটির ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেলে পর্যবেক্ষণ করে উল্লেখিত ফটোকার্ডটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে, একই দিনে বাংলাভিশনের ফেসবুক পেজে তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে “কৌশলের নামে বিএনপি গুপ্ত বা সুপ্ত বেশ ধারণ করেনি” শীর্ষক মন্তব্য সংবলিত একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, বাংলাভিশনের এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
এদিন ফেস দ্যা পিপলের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “কৌশলে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দখলদারি করা বিএনপির জন্য জায়েজ হলেও, কিন্তু সমাজের জন্য এটা নাজায়েজ।”
অনুসন্ধানে, ফেস দ্যা পিপলের ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে উল্লেখিত ফটোকার্ডটির অস্তিত্ব মেলেনি। তবে, একই দিনে ফেস দ্যা পিপলের ফেসবুক পেজে তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে “কৌশলের নামে গুপ্তের বেশ ধারণ করেনি বিএনপি নেতাকর্মীরা” শীর্ষক মন্তব্য সংবলিত একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও

অর্থাৎ, ফেস দ্যা পিপলের এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
বিডি টুডে ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “আমি জানতামই না যে আমার মুসলেকা দেয়া স্ট্যাম্প ৩০০ টাকা দামের হবে! এখন গুপ্ত সুপ্তরা আমার এই স্ট্যাম্প নিয়ে বাজে মন্তব্য করে।”
গণমাধ্যমটির ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট এবং ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে আলোচিত ফটোকার্ডটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে, একই দিনে বিডি টুডের ফেসবুক পেজে তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে “কৌশলের নামে গুপ্তের বেশ ধারণ করেনি বিএনপি নেতাকর্মীরা” শীর্ষক মন্তব্য সংবলিত একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, বিডি টুডের এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
এদিন কালের কণ্ঠের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “দেশে আসা আমার একান্ত সিদ্ধান্ত ছিলো না, ভারত আমার নাগরিত্ব ফিরিয়ে দিবে বলে আমার থেকে মুসলেকা নিয়েছে। যেমন মুসলেকা নিয়েছে ১/১১ এর সময় সেনাবাহিনী। তখনও আমার কিছু করার ছিলো না, এখনো আমার কিছু করার নাই।”
গণমাধ্যমটির ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে উল্লেখিত ফটোকার্ডটির সন্ধান মেলেনি। তবে, ১৭ জানুয়ারি কালের কণ্ঠের ফেসবুক পেজে তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে “কৌশলের নামে গুপ্ত ও সুপ্ত বেশ ধারণ করেনি বিএনপি” শীর্ষক মন্তব্য সংবলিত একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, কালের কণ্ঠের এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
১৯ জানুয়ারি, ২০২৬
এদিন যুগান্তরের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “বিশেষ ধন্যবাদ অন্তর্বর্তী সরকার ড. ইউনুস’কে, যে তিনি আমাকে দেশে আসার সুযোগ দেয়া, এবং নাগরিত্ব ফিরিয়ে দেয়ার জন্য। আরও কৃতজ্ঞতা জানাই দেশে রাজনীতি করার অধিকার দেয়াই, অসংখ্য ধন্যবাদ।”
যুগান্তরের ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে উল্লেখিত ফটোকার্ডটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে, একই দিনে যুগান্তরের ফেসবুক পেজে তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে “কৌশলের নামে বিএনপি গুপ্ত বেশ ধারণ করেনি” শীর্ষক মন্তব্য সংবলিত একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, যুগান্তরের এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
এদিন সমকালের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “আমি নিজ থেকে ভারত কিংবা র এর কাছে মুচলেকা দেই নাই, আমাকে আমার দলের হাইকমান্ডরা বাধ্য করছে ভারতের কাছে মুচলেকা দিয়ে দেশে ফিরতে।”
উল্লেখিত ফটোকার্ডটি সমকাল প্রকাশ করেনি। এই ফটোকার্ডকে সম্পাদিত হিসেবে শনাক্ত করে গত ২৬ জানুয়ারি ফ্যাক্টচেক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে রিউমর স্ক্যানার।

২০ জানুয়ারি, ২০২৬
এদিন প্রথম আলোর ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “এবার আমদের জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আর হাওয়া ভবন বানাবো না” ওয়াদা দিচ্ছি এবার কড়াইল বস্তিবাসীর জন্য বহুতল ভবন নির্মাণ করবো।”
প্রথম আলোর ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে উল্লেখিত ফটোকার্ডটির অস্তিত্ব মেলেনি। তবে, একই দিনে প্রথম আলোর ফেসবুক পেজে “কড়াইল বস্তিবাসী পাবেন ফ্ল্যাট, প্রতিশ্রুতি তারেক রহমানের” শিরোনামে প্রকাশিত একটি ফটোকার্ডের অস্তিত্ব মেলে। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম, শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ও ফন্টের কালার ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, প্রথম আলোর এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
কালবেলার ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন-
“প্রিয় মা বোনেরা আপনারা ধানের শীষে ভোট দিলে-এই ফ্যামিলি কার্ডে প্রতি মাসে ৩৫ হাজার টাকা করে পাবেন, আমি লন্ডন থেকে এই কার্ড আপনাদের জন্য বানিয়ে এনেছি।”
অনুসন্ধানে, কালবেলার ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট এবং ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে আলোচিত ফটোকার্ডটির অস্তিত্ব মেলেনি। পাশাপাশি গণমাধ্যমটিতে আলোচিত দাবি সমর্থিত কোনো সংবাদও পাওয়া যায়নি। তবে, একই দিনে কালবেলার ফেসবুক পেজে তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে “মা-বোনদের স্বাবলম্বী করতে ফ্যামিলি কার্ড চালুর উদ্যোগ নিতে চাই” শীর্ষক মন্তব্য সংবলিত
একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, কালবেলার এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
২১ জানুয়ারি, ২০২৬
ডিবিসি নিউজের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “বস্তিবাসীর কাছে ওয়াদা দিচ্ছি আমার দলের নেতাকর্মীরা আর কোনো ধরনের চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসীর কর্মকাণ্ড চালাবে না। দয়া করে আপনারা ধানের শীষে ভোট দিন।”
ডিবিসি নিউজের ফেসবুক পেজ,ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে আলোচিত ফটোকার্ডটির সন্ধান পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি গণমাধ্যমটিতে আলোচিত দাবি সমর্থিত কোনো সংবাদও পাওয়া যায়নি। তবে, ২০ জানুয়ারি ডিবিসি নিউজের ফেসবুক পেজে তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে “ ‘বস্তির শিশুরাও ধনীদের সন্তানের মতো সুযোগ-সুবিধায় বড় হবে’ ” শীর্ষক মন্তব্য সংবলিত একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম, শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ও শিরোনামের বেকগ্রাউন্ডে ব্যবহৃত কালার ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, ডিবিসি নিউজের এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
এদিন ফেস দ্যা পিপলের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “নির্বাচন পর্যন্ত দলের নেতাকর্মীদের’কে চাঁদাবাজি বন্ধ রাখতে অনুরোধ জানাচ্ছি।”
অনুসন্ধানে, ফেস দ্যা পিপলের ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে উল্লেখিত ফটোকার্ডটির অস্তিত্ব মেলেনি। তবে, একই দিনে ফেস দ্যা পিপলের ফেসবুক পেজে তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে “রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করবে বিএনপি” শীর্ষক মন্তব্য সংবলিত একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, ফেস দ্যা পিপলের এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
২২ জানুয়ারি, ২০২৬
এদিন আরটিভির ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “আপনারা আমাকে চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের লিডার বলে থাকেন” কিন্তু আপনারা এটাও মনে রাখবেন আমি বেগম খালেদাজিয়ার সন্তান। চাঁদাবাজি আমি করি নাই, চাঁদাবাজি আমার নেতাকর্মীরা করছে।”
আরটিভির ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে উল্লেখিত ফটোকার্ডটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে, একই দিনে আরটিভির ফেসবুক পেজে তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে “ক্ষমতায় গেলে ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেবে বিএনপি” শীর্ষক মন্তব্য সংবলিত একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, আরটিভির এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “আমার দলের নেতাকর্মীরা চাঁদাবাজি, ঢেন্ডাবাজি, খুনখারাবি করে জিয়াউর রহমানের দলটা’কে লজ্জিত করে ফেলছে। তাই সামনের নির্বাচন’টা আমাদের জন্য কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করছেন”।
গণমাধ্যমটির ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে উল্লেখিত ফটোকার্ডটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে, একই দিনে চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের ফেসবুক পেজে তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে “৪ কোটি নারীর হাতে থাকবে ফ্যামিলি কার্ড, মিলবে ২৫০০ টাকা বা খাদ্য সুবিধা
অ্যাড মানি করে” শীর্ষক মন্তব্য সংবলিত একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
এদিন সমকালের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “সিলেট থেকে আজকে আবারও নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলতেছি নির্বাচন পর্যন্ত সারাদেশে চাদাবাজি, টেন্ডারবাজি, নারী ধর্ষণ ও দলিও কর্মী খুন” এইসব বন্ধ রাখতে অনুরোধ জানাচ্ছি।”
অনুসন্ধানে, সংবাদমাধ্যমটির ফেসবুক পেজ , ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে উল্লেখিত ফটোকার্ডটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে, একই দিনে সমকালের ফেসবুক পেজে তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে “উন্নয়নের নামে দেশের সম্পদ লুট করা হয়েছে” শীর্ষক মন্তব্য সংবলিত একটি ফটোকার্ডের অস্তিত্ব মেলে। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, সমকালের এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
ডিবিসি নিউজের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “১৬ বছর আমার নেতাকর্মীরা জেল জুলুমের শিকার হয়েছে, টুকটাক চাঁদাবাজি করতে যেয়ে- ৩৪৬ জন্য অন্ত কোন্দলে আমার দলের কর্মী খুন হয়েছে-বিভিন্ন গণমাধ্যমের জরিপ অনুযায়ী” তবে আমি এটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা মনে করি।”
ডিবিসি নিউজের ফেসবুক পেজ,ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে আলোচিত ফটোকার্ডটির সন্ধান পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি গণমাধ্যমটিতে আলোচিত দাবি সমর্থিত কোনো সংবাদও পাওয়া যায়নি। তবে, একই দিনে ডিবিসি নিউজের ফেসবুক পেজে “মৌলভীবাজারে নির্বাচনি প্রচারণায় বক্তব্য রাখছেন তারেক রহমান” শিরোনামে প্রকাশিত একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম, শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ও শিরোনামের বেকগ্রাউন্ডে ব্যবহৃত কালার ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, ডিবিসি নিউজের এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
বাংলা ভিশনের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “৩০০ টাকা দামের এস্টাম্পে মুচলেকা দিয়েছি আমি আর রাজনীতি করবো না বলে, কিন্তু এক কথা আমি বলি নাই যে হাসিনা পলায়ন অবস্থায় রাজনীতি করবো না” এখন তো হাসিনা নাই।”
এ বিষয়ে অনুসন্ধানে বাংলাভিশনের ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে উল্লেখিত ফটোকার্ডের সন্ধান মেলেনি। তবে, একইদিন বাংলাভিশনের ফেসবুক পেজে তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে “একটি দল জান্নাতের কথা বলে নির্বাচনের আগেই ঠকাচ্ছে” শীর্ষক মন্তব্য সংবলিত একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, বাংলাভিশনের এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
২৩ জানুয়ারি, ২০২৬
কালবেলার ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন-
“আমি ৩০০ টাকা দামের স্ট্যাম্পে মুচলেকা দিয়ে লন্ডনে গিয়েছি, কিন্তু দিল্লি যায়নি!”
অনুসন্ধানে, কালবেলার ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট এবং ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে আলোচিত ফটোকার্ডটির অস্তিত্ব মেলেনি। পাশাপাশি গণমাধ্যমটিতে আলোচিত দাবি সমর্থিত কোনো সংবাদও পাওয়া যায়নি। তবে, একই দিনে কালবেলার ফেসবুক পেজে তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে “একজন দিল্লি গেছে, আরেকজন কিছু হলেই পিণ্ডি যায়” শীর্ষক মন্তব্য সংবলিত একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, কালবেলার এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
২৫ জানুয়ারি, ২০২৬
এখন টেলিভিশনের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “প্রতিদ্বন্দ্বি দল গুলো আমার মুচলেকা নিয়ে সমালোচনা করলে জনগণের কি উপকার হবে.? আমার মুচলেকা দেয়া’টা ইতিহাসের কালো অধ্যায় হয়ে থাকলো! এখন আমি ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে রাজনীতি করতে চাই।”
অনুসন্ধানে, গণমাধ্যমটির ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে উল্লেখিত ফটোকার্ডটির সন্ধান মেলেনি। পাশাপাশি গণমাধ্যমটিতে আলোচিত দাবি সমর্থিত কোনো সংবাদও পাওয়া যায়নি। তবে, একই দিনে এখন টিভির ফেসবুক পেজে তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে
“প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর ভুলত্রুটি ধরে সমালোচনা করলে দেশের সাধারণ মানুষের কোন উপকার হবে না ” শীর্ষক মন্তব্য সংবলিত একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, এখন টিভির এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
একই দিন একাত্তর টেলিভিশনের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, “আংকেল আপনি মুচলেকা দিয়ে লন্ডনে কেন গিয়েছিলেন.?” তরুণীর এমন জবাবে তারেক রহমান বলেছেন- “বোন এইসব প্রশ্ন করে আমাকে আর লজ্জিত কারো না।”
একাত্তর টিভির ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে উল্লেখিত ফটোকার্ডটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি গণমাধ্যমটিতে আলোচিত দাবি সমর্থিত কোনো সংবাদও পাওয়া যায়নি। তবে, একই দিনে একাত্তর টিভির ফেসবুক পেজে তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে “আঙ্কেল ডাকটা পছন্দ করি না, ভাইয়া বলতে পারেন আমাকে” শীর্ষক মন্তব্য সংবলিত একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, একাত্তর টিভির এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬
এদিন এখন টেলিভিশনের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “এক এগারো-তে দূর্নীতির অভিযোগ এনে আমার কমর ভেঙ্গে দিয়েছে- মইন, ফখরুদ্দীন সরকার। আমি শপথ করতেছি যে- যদি বিজয়ী হই’ আমি আর দূর্নীতি করবো না, দুর্নীতি কাউকে করতে দেবো না।”
অনুসন্ধানে, গণমাধ্যমটির ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে উল্লেখিত ফটোকার্ডটির সন্ধান মেলেনি। পাশাপাশি গণমাধ্যমটিতে আলোচিত দাবি সমর্থিত কোনো সংবাদও পাওয়া যায়নি। তবে, একই দিনে এখন টিভির ফেসবুক পেজে “বিএনপি সরকার দুর্নীতিগ্রস্ত হলে আপনাদের ২ মন্ত্রী পদত্যাগ করলেন না কেন? জামায়াতকে তারেক রহমানের প্রশ্ন” শিরোনামে প্রকাশিত একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, এখন টিভির এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
২৮ জানুয়ারি, ২০২৬
এদিন সমকালের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “আমার দলের নেতাকর্মীরা গত ১৬ বছর ফেরারি অবস্থায় ছিলো- ৫ ই আগষ্টের পর টুকটাক চাঁদাবাজি ও মানুষ খুন করছে! এটা দোষের কিছু না।”
অনুসন্ধানে, সংবাদমাধ্যমটির ফেসবুক পেজ , ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে উল্লেখিত ফটোকার্ডটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে, ২৭ জানুয়ারি সমকালের ফেসবুক পেজে তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে “একটি দল ‘স্বৈরাচারী ভাষায়’ বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে” শীর্ষক মন্তব্য সংবলিত একটি ফটোকার্ডের অস্তিত্ব মেলে। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, সমকালের এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
২৯ জানুয়ারি, ২০২৬
এদিন চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “সরি! দেশবাসী” আমি আমার মায়ের আদর্শ পালন করতে পারতেছিনা” আমার দলের হাইকমান্ডরা আমাকে মায়ের আদর্শ পালন করতে বাধাগ্রস্ত করে। আমার কোনো প্লানও বাস্তবায়ন হচ্ছে না! আমি আসার পরে দলের নেতাকর্মীরা আরও বেশি খুনখারাবিতে জড়িয়ে পড়ছে।”
গণমাধ্যমটির ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে উল্লেখিত ফটোকার্ডটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে, একই দিনে চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের ফেসবুক পেজে তারেক রহমানেকে উদ্ধৃত করে “মা শিখিয়েছেন, দায়িত্ব পালনে আপস না করতে” শীর্ষক মন্তব্য সংবলিত একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
একই দিন কালের কণ্ঠের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, টাইমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তারেক রহমান বলেছেন- “দুর্নীতির দায়ে এনে আমার কমর ভেঙ্গে দিয়েছে, এবং আমার থেকে মুচলেকা নিয়ে দেশ থেকে বিতাড়িত করছে- ফখরুদ্দিন সরকার”।
গণমাধ্যমটির ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে উল্লেখিত ফটোকার্ডটির সন্ধান মেলেনি। তবে, একই দিনে কালের কণ্ঠের ফেসবুক পেজে “টাইমকে সাক্ষাৎকার
কোনো দল নি/ষি/দ্ধ নয়, অ/প/রাধীর শা/স্তি চান তারেক রহমান” শিরোনামে প্রকাশিত একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, কালের কণ্ঠের এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
সমকালের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “জনগণ যদি বিএনপির চাঁদাবাজি ও খুনখারাপির অভিযোগ এনে ১২ ফেব্রুয়ারিতে ধানের শীষে ভোট না দেয়, তাহলে রক্তের বন্যা বয়ে যাবে” তবে এর দায়ভার জনগণ নিবে।”
অনুসন্ধানে, সংবাদমাধ্যমটির ফেসবুক পেজ , ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে উল্লেখিত ফটোকার্ডটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে, একই দিনে সমকালের ফেসবুক পেজে তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে “ধানের শীষ বিজয়ী হলে ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে জনগণের দিন” শীর্ষক মন্তব্য সংবলিত একটি ফটোকার্ডের অস্তিত্ব মেলে। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের ছবি, শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, সমকালের এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
এনটিভির ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “মুচলেকা দিয়েছি, তবুও হাসিনার মতো পালিয়ে যায়নি।”
অনুসন্ধানে, এনটিভির ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে উল্লেখিত ফটোকার্ডটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে, ২৭ জানুয়ারি এনটিভির ফেসবুক পেজে তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে “পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আমাদের নেই” শীর্ষক মন্তব্য সংবলিত একটি ফটোকার্ডের অস্তিত্ব মেলে। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের ছবি, শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, এনটিভির এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
৩০ জানুয়ারি, ২০২৬
বাংলা ভিশনের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “আমার দলের নেতাকর্মীরা আধিপত্য বিস্তার করতে যেয়ে আমার দলেরই ২৫০ জনের মতো খুন করছে, এতে আমরা সমস্যা মনে করি না। অথচ যতো সমস্যা স্বাধীনতা বিরোধীদের” মায়া কান্নার শেষ নেই।”
এ বিষয়ে অনুসন্ধানে বাংলাভিশনের ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে উল্লেখিত ফটোকার্ডের সন্ধান মেলেনি। তবে, একইদিন বাংলাভিশনের ফেসবুক পেজে তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে “দয়াকরে আপনারা গণভোটে হ্যাঁ-এর পক্ষে রায় দেবেন” শীর্ষক মন্তব্য সংবলিত একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, বাংলাভিশনের এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
এখন টেলিভিশনের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, উশৃংখল নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে তারেক রহমান বলেছেন- “তোমরা এখানে তাফালিং করো না, তোমাদের তাফালিং দেখতে চাই ভোট কেন্দ্রে, ব্যালট বাক্স চিনিয়ে আনার সৎসাহস দেখাতে হবে।”
অনুসন্ধানে, গণমাধ্যমটির ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে উল্লেখিত ফটোকার্ডটির সন্ধান মেলেনি। পাশাপাশি গণমাধ্যমটিতে আলোচিত দাবি সমর্থিত কোনো সংবাদও পাওয়া যায়নি। তবে, একই দিনে এখন টিভির ফেসবুক পেজে তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে
“অনেকেই আপনাদের বিভ্রান্ত করবে দেখামাত্রই তাদের বলবেন তোমরা ‘গুপ্ত’ যারাই বিভ্রান্তি ছড়াবে তারাই ‘গুপ্ত’ ” শীর্ষক মন্তব্য সংবলিত একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, এখন টিভির এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
যমুনা টেলিভিশনের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “খাম্বা চুরির অপবাদ দিয়ে ততকালীন ওয়ান ইলাভেন সরকার আমার থেকে মুচলেকা নিয়ে দেশ থেকে বিতাড়িত করছে। এখন আমি সরকার গঠন করে জনকল্যাণে কাজ করতে চাই, আপনারা আমাকে সহযোগিতা করবেন।”
এ বিষয়ে যাচাইয়ে যমুনা টেলিভিশনের ফেসবুক পেজ ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে আলোচিত ফটোকার্ডটির অস্তিত্ব মেলেনি। পাশাপাশি গণমাধ্যমটিতে আলোচিত দাবি সমর্থিত কোনো সংবাদও পাওয়া যায়নি। তবে, একই দিনে যমুনা টিভির ফেসবুক পেজে তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে “একটি রাজনৈতিক দল নারীদের ঘরে আটকে রাখতে চায়” শীর্ষক মন্তব্য সংবলিত একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, যমুনা টেলিভিশনের এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
প্রথম আলোর ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “আমি কর্মজীবী নারীদের নিয়ে হাওয়া ভবন বানাইনি, আমার দলের হাইকমান্ডের নেতারা তখন আধুনিক পতিতালয়” ভবন বানিয়ে আমার নাম দিয়েছে।”
প্রথম আলোর ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে উল্লেখিত ফটোকার্ডটির অস্তিত্ব মেলেনি। তবে, একই দিনে প্রথম আলোর ফেসবুক পেজে “কর্মজীবী নারীদের নিয়ে একটি রাজনৈতিক দলের মন্তব্য কলঙ্কজনক” শিরোনামে প্রকাশিত একটি ফটোকার্ডের অস্তিত্ব মেলে। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম, শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ও ফন্টের কালার ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, প্রথম আলোর এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
এদিন সমকালের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “এবার আর হাওয়া ভবন বানাচ্ছি না” এবার আমার মেয়ে জাইমা রহমান এর সাথে মিট করার জন্য নেতাকর্মীদের জন্য উড়ন্ত ভবন নির্মাণ করবো।”
অনুসন্ধানে, সংবাদমাধ্যমটির ফেসবুক পেজ , ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে উল্লেখিত ফটোকার্ডটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে, সমকালের ফেসবুক পেজে তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে “আইডি হ্যাক হয়নি, তারা মানুষের কাছে মিথ্যা কথা তুলে ধরছে” শীর্ষক মন্তব্য সংবলিত একটি ফটোকার্ডের অস্তিত্ব মেলে। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, সমকালের এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
ডিবিসি নিউজের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “ঐ গুপ্ত! আমাকে আর খাম্বা তারেক, মুচলেকা তারেক বলে অপমান করবি না..। আমি মুচলেকা দিয়েছি এই দেশের কল্যাণের জন্য।”
ডিবিসি নিউজের ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে আলোচিত ফটোকার্ডটির সন্ধান পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি গণমাধ্যমটিতে আলোচিত দাবি সমর্থিত কোনো সংবাদও পাওয়া যায়নি। তবে, একই দিনে ডিবিসি নিউজের ফেসবুক পেজে “পোশাকের মতোই রপ্তানি হবে যশোরের ফুল” শিরোনামে প্রকাশিত একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, ডিবিসি নিউজের এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
একই দিন কালের কণ্ঠের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “নির্বাচনও হবে, ৯০% ভোট দাঁড়িপাল্লায়ও পড়বে ঠিকি, কিন্তু আমার মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সম্মানার্থে আমার দল বিএনপিকেই সরকার গঠনে ঘোষণা দিতে হবে।”
গণমাধ্যমটির ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে উল্লেখিত ফটোকার্ডটির সন্ধান মেলেনি। তবে, একই দিনে কালের কণ্ঠের ফেসবুক পেজে তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে “এই নির্বাচন দেশপ্রেমিক আর দেশবিরোধীদের” শীর্ষক মন্তব্য সংবলিত একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, কালের কণ্ঠের এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
এদিন সমকালের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “মুচলেকা দিয়েছি বলেই কি রাজনীতি করার অধিকার হারিয়েছি- প্রশ্ন তারেকের…”।
অনুসন্ধানে, সংবাদমাধ্যমটির ফেসবুক পেজ , ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে উল্লেখিত ফটোকার্ডটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে, সমকালের ফেসবুক পেজে “জনসভায় তারেক রহমান গুপ্তরা জালেম রূপে আবির্ভূত হয়েছে” শিরোনামে প্রকাশিত একটি ফটোকার্ডের অস্তিত্ব মেলে। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, সমকালের এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
আরটিভির ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “ভারতে আমার মুচলেকার মাধ্যমে আজ বাংলাদেশের জনগণ প্রাণ ফিরে পেয়েছে। ২০০৮ সালে আমি মুচলেকা দিই নাই, শতকোটি টাকা আত্মসাৎ এর মিথ্যা ন্যারেটিভ দাড় করিয়ে আমার থেকে মুচলেকা নিয়েছে সেনাবাহিনী।”
আরটিভির ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে উল্লেখিত ফটোকার্ডটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে, একই দিনে আরটিভির ফেসবুক পেজে “তারেক রহমানের শেষ নির্বাচনি প্রচারণা ৮ ফেব্রুয়ারি” শিরোনামে প্রকাশিত একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, আরটিভির এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ডিবিসি নিউজের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “মুচলেকা সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন- আমি যদি ভারতে মুচলেকা না দিতাম তাহলে আমি আমার মায়ের লাশ টুকুই দেখতে পারতাম না।”
ডিবিসি নিউজের ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে আলোচিত ফটোকার্ডটির সন্ধান পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি গণমাধ্যমটিতে আলোচিত দাবি সমর্থিত কোনো সংবাদও পাওয়া যায়নি। তবে, একই দিন ডিবিসি নিউজের ফেসবুক পেজে “জুলাই যোদ্ধাদের জন্য আলাদা ডিপার্টমেন্ট করার ঘোষণা তারেক রহমানের” শিরোনামে প্রকাশিত একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম, শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ও শিরোনামের বেকগ্রাউন্ডে ব্যবহৃত কালার ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, ডিবিসি নিউজের এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
যুগান্তরের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, তারেক রহমান বলেছেন- “আমার বাবা প্রেসিডেন্ট, মা প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, দয়া করে এই সম্মান টুকু রাইখেন… আমাকে আর মুচলেকা ও খাম্বা তারেক নামে ডাকবেন না! কষ্ট লাগে।”
যুগান্তরের ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে উল্লেখিত ফটোকার্ডটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে, একই দিনে যুগান্তরের ফেসবুক পেজে তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে “১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী নয়, প্রস্তাবটি বিএনপিই সবার আগে দেয়” শীর্ষক মন্তব্য সংবলিত একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, যুগান্তরের এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।
একই দিন একাত্তর টেলিভিশনের ডিজাইন সংবলিত একটি ফটোকার্ড প্রচার করে দাবি করা হয়, “প্রিয় দেশবাসী” আমার দলের নেতাকর্মীদের চাঁদাবাজিতে যদি কষ্ট পেয়ে থাকেন- দয়া করে আপনারা আমাকে ক্ষমা করে দিয়ে ধানের শীষে এটি ভোট দিয়েন।”
একাত্তর টিভির ফেসবুক পেজ, ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেল পর্যবেক্ষণ করে উল্লেখিত ফটোকার্ডটি খুঁজে পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি গণমাধ্যমটিতে আলোচিত দাবি সমর্থিত কোনো সংবাদও পাওয়া যায়নি। তবে, একই দিনে একাত্তর টিভির ফেসবুক পেজে তারেক রহমানকে উদ্ধৃত করে “প্রবাসীদের জন্য ‘প্রবাসী কার্ড’ ও বিশেষ প্রণোদনা দেবে বিএনপি” শীর্ষক মন্তব্য সংবলিত একটি ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ফটোকার্ডের সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের শিরোনাম ও শিরোনামে ব্যবহৃত ফন্ট ডিজাইন ব্যতীত বাকি সকল উপাদানের মিল রয়েছে।

অর্থাৎ, একাত্তর টিভির এই ফটোকার্ডটির শিরোনাম পরিবর্তন করে আলোচিত দাবি সংবলিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।

লক্ষণীয় বিষয় এই যে, সবগুলোর ফটোকার্ডের মূল উৎসই ‘বালবেলা নিউজ’ নামক একটি নির্দিষ্ট ফেসবুক অ্যাকাউন্ট। এই ফেসবুক অ্যাকাউন্টটির প্রোফাইল লক থাকায় (প্রতিবেদনটি লেখা চলাকালীন) এটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানা সম্ভব হয়নি। ২০২৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর খোলা এই অ্যাকাউন্টটি থেকে গেল ডিসেম্বর মাস থেকে প্রায় একই সময়ে অন্তত ১৩টি (১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ১০, ১১, ১২, ১৩) ফেসবুক গ্রুপে এই নকল বা সম্পাদিত ফটোকার্ডগুলো প্রচারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। তারেক রহমান ছাড়াও এই অ্যাকাউন্ট থেকে গ্রুপগুলোতে নিয়মিতই বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনগুলোর নেতাদের জড়িয়ে ভুয়া মন্তব্য প্রচার হতে দেখা গেছে। যে ফেসবুক গ্রুপগুলোতে এই ভুয়া ফটোকার্ডগুলো প্রচার হচ্ছে সেগুলোর মধ্যে তিনটি তারেক রহমান ও তার স্ত্রী জুবাইদা রহমান এবং কন্যা জাইমা রহমানের নামে পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়া, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, বিএনপির বহিষ্কৃত নেত্রী রুমিন ফারহানা, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট পিনাকী ভট্টাচার্য, সাংবাদিক শাহেদ আলম, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট প্রিসিলা, নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোরহান মামদানি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও ঔষধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের নামে একটি করে ফেসবুক গ্রুপ পরিচালিত হচ্ছে। উল্লেখিত গ্রুপের সঙ্গে এসব ব্যক্তি ও সংগঠনের সরাসরি কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। বেশ কয়েকটি ভুয়া ফেসবুক পেজ ও অ্যাকাউন্ট থেকে এসব গ্রুপগুলো পরিচালিত হচ্ছে বলে রিউমর স্ক্যানারের অনুসন্ধানে জানা গেছে।

