ঢাকায় ভূমিকম্পে বসুন্ধরা এলাকায় মসজিদের মিনার হেলে যায়নি, মিনারের ডিজাইনই এমন

গত ২১ ডিসেম্বর সকাল ১০ টা ৩৮ মিনিটের দিকে সারাদেশে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এতে অন্তত ১০ জন নিহত ও ছয় শতাধিক আহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এরই প্রেক্ষিতে, ‘ভূমিকম্পে বসুন্ধরার ডি ব্লকে মসজিদের মিনার হেলে পড়েছে।’ দাবিতে একটি ছবি ও একই মিনারের একটি ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে।

ফেসবুকে প্রচারিত কিছু পোস্ট দেখুন এখানে (আর্কাইভ), এখানে (আর্কাইভ), এখানে (আর্কাইভ)।
ইনস্টাগ্রামে প্রচারিত পোস্ট দেখুন এখানে (আর্কাইভ)।
ফেসবুকে প্রচারিত কিছু ভিডিও দেখুন এখানে (আর্কাইভ), এখানে (আর্কাইভ)।
টিকটকে প্রচারিত ভিডিও দেখুন এখানে (আর্কাইভ)।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও দেখুন জাগরণ নিউজ, দৈনিক ইনকিলাব।
ফ্যাক্টচেক
রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, বসুন্ধরা এলাকায় ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের মসজিদের মিনারটি গত ২১ নভেম্বরের ভূমিকম্পে হেলে যায়নি বরং, উক্ত মসজিদের মিনারের ডিজাইনই এমন।
অনুসন্ধানে গুগল ম্যাপে বসুন্ধরার আলোচিত মসজিদের মিনারের পুরোনো একাধিক ছবি পাওয়া যায়। সেই ছবিগুলোর মধ্যে ২০১৩ সালের এবং ২০২৩ সালের দুইটি ছবির সাথে আলোচিত মিনারের ছবিটি তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে দেখেছে রিউমর স্ক্যানার টিম।

তুলনামূলক বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২০১৩ সালে নির্মাণাধীন মিনার এবং ২০২৩ সালে পূর্ণাঙ্গ মিনারটি পাশে থাকা দেয়ালের সাথে লাগানো।
অর্থাৎ, শুরু থেকেই মিনারটি পাশের দেয়ালের সাথে লাগানো।
এরপর বিষয়টি অধিকতর যাচাইয়ের জন্য ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারে যোগাযোগ করে রিউমর স্ক্যানার টিম। ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের পরিচালক মুফতী আব্দুর রহমান বলেন, ‘মিনারটি হেলে যাওয়ার দাবিটি সঠিক নয়। এটি আসলে এভাবেই ডিজাইন করে বানানো হয়েছে। তবে, মিনারটি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপ কর্তৃপক্ষ।’
সুতরাং, ভূমিকম্পে বসুন্ধরার ডি ব্লকে মসজিদের মিনার হেলে পড়েছে শীর্ষক দাবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা।

