ড. ইউনূস বাংলাদেশের মানুষের জন্য ফেরেস্তা হয়ে এসেছিলেন শীর্ষক মন্তব্য করেননি শফিকুল আলম

সম্প্রতি, সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে জড়িয়ে সাবেক প্রেস সচিব শফিকুল আলম ‘গত দেড় বছরে পারলে একটা জিনিস দেখান যেটার সংকট দেখা দিয়েছিলো? ইউনূস স্যার বাংলাদেশের মানুষের জন্য ফেরেস্তা হয়ে এসেছিলেন’ শীর্ষক মন্তব্যটি করেছেন দাবিতে একটি ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে।

উক্ত দাবিতে ফেসবুকে প্রচারিত পোস্ট দেখুন: এখানে (আর্কাইভ)।

ফ্যাক্টচেক

রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, ‘গত দেড় বছরে পারলে একটা জিনিস দেখান যেটার সংকট দেখা দিয়েছিলো? ইউনূস স্যার বাংলাদেশের মানুষের জন্য ফেরেস্তা হয়ে এসেছিলেন’ শীর্ষক কোনো মন্তব্য করেননি শফিকুল আলম। প্রকৃতপক্ষে, একটি স্যাটায়ার পেজের ব্যঙ্গাত্মক পোস্ট থেকে সূত্রপাত হওয়া পোস্টকে আসল খবর দাবিতে প্রচার করা হয়েছে।

উক্ত দাবিতে প্রচারিত পোস্টগুলো পর্যবেক্ষণ করে আলোচিত দাবির সপক্ষে কোনো তথ্যসূত্র পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড সার্চ করলেও আলোচিত দাবির সপক্ষে নির্ভরযোগ্য সূত্রে কোনো তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি, শফিকুল আলমের ফেসবুক পেজ পর্যবেক্ষণ করেও আলোচিত দাবির সপক্ষে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

পরবর্তীতে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডের সূত্রপাতের বিষয়ে অনুসন্ধান করে রিউমর স্ক্যানার। অনুসন্ধানে ‘গুপ্ত টেলিভিশন’ নামের একটি ফেসবুক পেজে গত ২৮ মার্চ আলোচিত ফটোকার্ডটি পোস্ট হতে দেখা যায়।

‘গুপ্ত টেলিভিশন’ পেজটি পর্যবেক্ষণ করলে পেজের বায়োতে ‘আমাদের কনটেন্ট হাস্যরস, ব্যঙ্গ ও parody এর মাধ্যমে উপস্থাপিত হয়, যার উদ্দেশ্য শুধুমাত্র বিনোদন।’ শীর্ষক বাক্যের উল্লেখ পাওয়া যায়। এছাড়াও, পেজটি পর্যবেক্ষণ করলে এরূপ আরো অনেক ব্যাঙ্গাত্মক পোস্ট পাওয়া যায়।

সুতরাং, ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে জড়িয়ে শফিকুল আলম ‘গত দেড় বছরে পারলে একটা জিনিস দেখান যেটার সংকট দেখা দিয়েছিলো? ইউনূস স্যার বাংলাদেশের মানুষের জন্য ফেরেস্তা হয়ে এসেছিলেন’ শীর্ষক মন্তব্য করেছেন বলে প্রচারিত দাবিটি মিথ্যা।

তথ্যসূত্র

Share: