জাগোনিউজ২৪-এর নামে ভুয়া ফটোকার্ড তৈরি করে ওসমান হাদিকে নিয়ে অপপ্রচার 

সম্প্রতি, “’হাদি চাচ্চু আমাকে ব্যাডটাচ করেছে’ -আলোচিত শিশু নিহা” শীর্ষক তথ্যে বা শিরোনামে জাগো নিউজ২৪ এর ডিজাইন সম্বলিত একটি ফটোকার্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

ফেসবুকে প্রচারিত পোস্ট দেখুন এখানে (আর্কাইভ)।

ইনস্টাগ্রামে প্রচারিত পোস্ট দেখুন এখানে (আর্কাইভ)।

ফ্যাক্টচেক

রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, “’হাদি চাচ্চু আমাকে ব্যাডটাচ করেছে’ -আলোচিত শিশু নিহা” শীর্ষক তথ্যে বা শিরোনামে জাগোনিউজ২৪ কোনো ফটোকার্ড বা সংবাদ প্রকাশ করেনি বরং, জাগোনিউজ২৪ এর ফটোকার্ডের ডিজাইন নকল করে আলোচিত ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।

শুরুতে আলোচিত ফটোকার্ডটি পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, এটিতে জাগোনিউজ২৪ এর লোগো রয়েছে এবং প্রকাশের তারিখ হিসেবে ১৩ নভেম্বর, ২০২৫ উল্লেখ রয়েছে। 

উক্ত সূত্র ধরে অনুসন্ধানে জাগোনিউজ২৪ এর ফেসবুক পেজে গত ১৩ নভেম্বর কিংবা আগে পরে এ সংক্রান্ত কোনো ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়নি। এমনকি জাগোনিউজ২৪-এর ওয়েবসাইটইউটিউব চ্যানেলেও এ সংক্রান্ত কোনো তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি।

এছাড়া, প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড সার্চ করে গণমাধ্যম ও বিশ্বস্ত সূত্রেও এসংক্রান্ত কোনো তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি।

এরপর আলোচিত ফটোকার্ডটিতে থাকা ওসমান হাদির ছবিটির বিষয়ে অনুসন্ধান করে রিউমর স্ক্যানার টিম। অনুসন্ধানে সমকাল এর ওয়েবসাইটে গত ১৩ নভেম্বর “শাহবাগে অবস্থান ইন‌কিলাব মঞ্চের” শীর্ষক শিরোনামে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। উক্ত প্রতিবেদনে থাকা ছবির সাথে আলোচিত ছবির মিল রয়েছে।

সমকাল এর প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ক্ষমতাচুত্য আওয়ামী লীগ ঘো‌ষিত কর্মসূচ‌ি ঠেকাতে গত ১২ নভেম্বর দিবাগত রাত থে‌কে শাহবাগ এলাকায় অবস্থান নি‌য়ে‌ছে ইন‌কিলাব মঞ্চ। সেখানে অবস্থান নিয়েছিলেন ওসমান হাদিও৷ পরেরদিন অর্থাৎ, ১৩ নভেম্বর সকালে ওসমান হাদি ফেসবু‌কে লে‌খেন, বাতাসা কেনা হ‌য়ে‌ছে এক মণ, স‌ঙ্গে ব‌রিশা‌লের মোটা মু‌ড়ি, কলা ডিম ও পাউরুটিও। সকা‌লে এসে সবাইকে খাওয়ার দাওয়াত দেন। সকাল ৯টায় লে‌খেন ডিম রু‌টি কলা খে‌য়ে রে‌ডি হলাম। 

আলোচিত ছবিটিতেও ওসমান হাদি ও তাঁর আশেপাশে থাকা ব্যক্তিদের হাতে কলা, ডিম ও পাউরুটি দেখা যাচ্ছে।

অর্থাৎ, ছবিটি উক্ত অবস্থান কর্মসূচি বলেই প্রতীয়মান হয়।

সুতরাং, “’হাদি চাচ্চু আমাকে ব্যাডটাচ করেছে’ -আলোচিত শিশু নিহা” শীর্ষক তথ্যে বা শিরোনামে জাগো নিউজ২৪ এর ফটোকার্ডটি ভুয়া।

তথ্যসূত্র

Share: