গত ১২ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি গুলিবিদ্ধ হন। এরপর সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যুর খবর আসে। ১৯ ডিসেম্বর তার মরদেহ দেশে আনা হয়। এরই প্রেক্ষিতে হাদির লাশবাহী কফিনে ‘ওসমান গণি’ নাম লেখা থাকার সূত্রে দাবি করা হয়, “ওসমান হাদির পরিবর্তে জনৈক ওসমান গণির লাশ এসেছে।”

উক্ত দাবিতে ফেসবুকের পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এখানে।
একই দাবির পোস্ট দেখুন ইনস্টাগ্রাম, এক্স, থ্রেডসে।
ফ্যাক্টচেক
রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, ওসমান হাদির পরিবর্তে জনৈক ওসমান গণির লাশ এসেছে শীর্ষক দাবিটি সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে, হাদির প্রকৃত নাম ওসমান গণি যা একাডেমিক ক্ষেত্রে ব্যবহার হতো।
এ বিষয়ে অনুসন্ধানে এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান ভূঁইয়া মঞ্জুর ফেসবুক প্রোফাইলে গত ১৬ ডিসেম্বরের এক পোস্টে একই নামে হাদিকে সম্বোধন করতে দেখা যায়।

হাদি বনানীর ইউনিভার্সিটি অফ স্কলারস এর ইংরেজির লেকচারার হিসেবে কর্মরত ছিলেন, ভার্সিটির সাইট প্রোফাইলেও হাদিকে ‘ওসমান গণি’ হিসেবেই লেখা রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়টির এক লেকচার ক্লাসে হাদি নিজের পরিচয় দিতে গিয়ে উল্লেখ (২ মিনিট ৪২ সেকেন্ড সময় থেকে) করেন, শরীফ তার বংশের নাম এবং হাদি তার বাবার নাম।
তাছাড়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ওসমান হাদির ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার আবেদন ফরমের একটি কপি হাতে পেয়েছে রিউমর স্ক্যানার। এতে হাদির নাম ‘ওসমান গণি’ উল্লেখ পাওয়া যায়।

অর্থাৎ, ওসমান হাদির প্রকৃত নাম ওসমান গণি।
সুতরাং, ওসমান হাদির পরিবর্তে জনৈক ওসমান গণির লাশ এসেছে শীর্ষক দাবিটি বিভ্রান্তিকর।
তথ্যসূত্র
- University of Scholars: Site Profile
- University of Scholars: YouTube Video


