সম্প্রতি, বাংলাদেশে পটুয়াখালীতে ইসলামপন্থী/দুর্বৃত্তরা হিন্দুদের ৫টি বাড়ি ভাঙচুর করে পুড়িয়ে দিয়েছে দাবিতে একটি ভিডিও প্রচার করা হয়েছে। অর্থাৎ, ঘটনাটি সাম্প্রদায়িক নির্যাতন আঙ্গিকে প্রচার করা হয়েছে।
এরূপ দাবিতে এক্সে প্রচারিত পোস্ট দেখুন এখানে (আর্কাইভ)।
এরূপ দাবিতে ফেসবুকে প্রচারিত পোস্ট দেখুন এখানে (আর্কাইভ)।
একই দাবিতে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিকের পোস্ট দেখুন এখানে।
ফ্যাক্টচেক
রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, সম্প্রতি পটুয়াখালীতে ইসলামপন্থী/দুর্বৃত্তরা হিন্দুদের ৫টি বাড়ি ভাঙচুর করে পুড়িয়ে দিয়েছে শীর্ষক দাবিটি সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে, ঘটনাটি গত বছরের মার্চের এবং আগুন লেগে বাড়ি পুড়ে যাওয়ার ঘটনার সাথে ধর্মীয় বা সাম্প্রদায়িক কারণ খুঁজে পাওয়া যায়নি।
মূলত, ভিডিওটি ২০২৫ সালের ৬ মার্চে পটুয়াখালী পৌর শহরের জুবিলী স্কুল সড়কে অগ্নিকাণ্ডের দৃশ্যের। সেসময় পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার দেওয়ান মো. রাজিব বলেন, প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে। এক ভিডিওতে ক্ষতিগ্রস্ত মেয়েটিকে বলতে শোনা যায়, পাশ্ববর্তী এক পাগলের ঘর থেকে আগুন লেগেছে। আরেক ভিডিওতে এক ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বলেন, পাশ্ববর্তী ঘরে এক মহিলা আছে উনি নাকি কয়েল ধরায়ে রেখে ঘুমিয়েছে। কয়েল থেকে আগুন লেপ-তোষকে ধরছে। আগুনের এই ঘটনার সাথে ধর্মীয় বা সাম্প্রদায়িক ইস্যু গণমাধ্যম বা নির্ভরযোগ্য সূত্রে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
সমজাতীয় দাবিতে ২০২৫ সালের মার্চে ভিডিওটি প্রচার করা হলে সেসময় দাবিটি বিভ্রান্তিকর হিসেবে শনাক্ত করে বিস্তারিত ফ্যাক্টচেক প্রতিবেদন প্রকাশ করে রিউমর স্ক্যানার।
পটুয়াখালীতে আগুনে বাড়ি ও দোকান পুড়ে যাওয়ার ঘটনায় সাম্প্রদায়িক যোগসূত্র নেই


