সম্প্রতি জামায়াতের গোপন আস্তানা থেকে পুলিশের অস্ত্র ও বোমা উদ্ধার দাবিতে ২০২৪ সালের পুরোনো ভিডিও প্রচার 

সম্প্রতি, “জামায়েতের গোপন আস্তানায়, পুলিশের অবিজানে, বিপুল পরিমানে অস্র ও সক্তিসালি বোমা উদ্ধার করলো পুলিশ” শীর্ষক দাবিতে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে।

উক্ত দাবিতে টিকটকে প্রচারিত পোস্ট দেখুন এখানে (আর্কাইভ)।

ইনস্টাগ্রামে প্রচারিত পোস্ট দেখুন এখানে (আর্কাইভ)।

ফেসবুকে প্রচারিত পোস্ট দেখুন এখানে (আর্কাইভ)।

ফ্যাক্টচেক

রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, আলোচিত ভিডিওটি সাম্প্রতিক সময়ে জামায়াতে ইসলামীর গোপন আস্তানা থেকে পুলিশের অস্ত্র ও বোমা উদ্ধারের নয়। প্রকৃতপক্ষে, ২০২৪ সালে জামায়াতের আস্তানা থেকে পুলিশের অস্ত্র উদ্ধারের ভিডিওকে আলোচিত দাবিতে প্রচার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে অনুসন্ধানে ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম এটিএন বাংলার ইউটিউব চ্যানেলে ২০২৪ সালের ২৭ জুলাই ‘জামায়াতের গোপন আস্তানার সন্ধান, দেশীয় অস্ত্র ও বোমা উদ্ধার’ শিরোনামে প্রচারিত একটি ভিডিও খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ভিডিওর সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফুটেজের মিল রয়েছে। 

এ বিষয়ে আরো অনুসন্ধান করে যুগান্তরের ওয়েবসাইটে ২০২৪ সালের ২৭ জুলাই প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, সেদিন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট রাজধানীর ধানমন্ডিতে একটি ভবনের অফিস কক্ষ থেকে ককটেল-গোলাবারুদসহ জামায়াতে ইসলামীর তিন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে। তারা হলেন- ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ও বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সদস্য রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, জামায়াতে ইসলামীর কোষাধ্যক্ষ খন্দকার মিজানুর রহমান ও দলের সক্রিয় সদস্য মোহাম্মদ আব্দুর রশিদ। সিটিটিসির উপ-কমিশনার (ডিসি) মিশুক চাকমার বরাতে বলা হয়, অবসর ভবনে জামায়াতের অফিসে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তারা দীর্ঘদিন ধরে এখানে বসে নানা অপকর্ম পরিচালনা করেছে। কোটা সংস্কার আন্দোলনে উসকানি দেওয়ার তথ্যও রয়েছে আমাদের কাছে। তাদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র, ককটেল ও বিস্ফোরক জব্দ করা হয়।

এ বিষয়ে সেসময় অন্যান্য গণমাধ্যমগুলোতেও সংবাদ (১, , ) প্রকাশ করা হয়।

সুতরাং, ২০২৪ সালে জামায়াতের আস্তানা থেকে পুলিশের অস্ত্র ও বোমা উদ্ধারের ঘটনাকে সাম্প্রতিক সময়ের দাবিতে প্রচার করা হয়েছে; যা বিভ্রান্তিকর।

তথ্যসূত্র

Share: