রাবির নবাব আব্দুল লতিফ হলের ছাত্রদল ও শিবিরের সভাপতির রুম থেকে অস্ত্র উদ্ধারের ভুয়া দাবি

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে পতন ঘটে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রায় ১৫ বছরের দীর্ঘ শাসনামলের। আন্দোলন চলাকালীন সময় সাধারণ ছাত্র-জনতার ওপর পুলিশের নির্মম হামলার প্রতিবাদে এসময় পুলিশের ওপর ক্ষোভে ফেটে পড়ে বিক্ষুব্ধ জনতা। রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে থানায় থানায় হামলা চালায় তারা। সেময় লুটপাট হয় থানার অস্ত্রাগারও। এর প্রেক্ষিতে সম্প্রতি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব আব্দুল লতিফ হল শাখা ছাত্রদলের সভাপতির রুম থেকে সেনাবাহিনী লুট হওয়া পুলিশের বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করেছে দাবিতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও প্রচার করা হয়েছে।

ফেসবুকে প্রচারিত এমন ভিডিও দেখুন এখানে (আর্কাইভ)।
জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির প্রয়াত গোলাম আযমের ছেলে সাবেক সেনা কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (বরখাস্ত) আবদুল্লাহিল আমান আযমীও তার ফেসবুক প্রোফাইলে ভিডিওটি শেয়ার করেন। তার প্রোফাইলে শেয়ারকৃত পোস্টটি দেখুন এখানে (আর্কাইভ)।

একই ভিডিওটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় নবাব আব্দুল লতিফ হলে শিবিরের সভাপতির রুম থেকে পুলিশের লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারের দাবিতেও ফেসবুকে প্রচার করা হয়। এমন দাবিতে প্রচারিত ফেসবুক পোস্ট দেখুন এখানে (আর্কাইভ)।
ফ্যাক্টচেক
রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে দেখা যায়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব আব্দুল লতিফ হলের ছাত্রদল বা শিবিরের সভাপতির রুম থেকে পুুলিশের লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারের দাবিটি সত্য নয়। প্রকৃতপক্ষে, এই দাবিতে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি ২০২৪ সালের আগস্টে মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী থানায় লুট হওয়া অস্ত্র সেনাবাহিনীর মাধ্যমে উদ্ধার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করার পুরোনো ঘটনার।
একই দাবিগুলোতে গত বছরের মার্চ মাসে ভিডিওটি প্রচার করা হলে সেসময় দাবিটি মিথ্যা হিসেবে যাচাই করে ফ্যাক্টচেক প্রতিবেদন প্রকাশ করে রিউমর স্ক্যানার।
রাবির লতিফ হল শাখা ছাত্রদল ও শিবির সভাপতির রুম থেকে অস্ত্র উদ্ধারের দাবিগুলো ভুয়া

