নেতৃস্থানীয় একাধিক রাজনৈতিক ব্যক্তি ও সংগঠনকে জড়িয়ে যমুনা টিভির নামে একাধিক ভুয়া ফটোকার্ড প্রচার 

সম্প্রতি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে Kutub Uddin নামক একটি অ্যাকাউন্ট থেকে বাংলাদেশের কতিপয় রাজনৈতিক ব্যক্তি, আসন্ন নির্বাচনে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও কিছু রাজনৈতিক দলকে জড়িয়ে ইলেকট্রনিক গণমাধ্যম যমুনা টিভির লোগো ও ডিজাইন সংবলিত সাতটি ফটোকার্ড প্রচার করা হয়েছে।

এর মধ্যে প্রথম ফটোকার্ডে দাবি করা হয়, ‘হাদির স্ত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দিলেন সাদিক কায়েম ও এবি জুবায়ের’।

দ্বিতীয় ফটোকার্ডে দাবি করা হয়, ‘হাদির বিচারের দাবির অনুষ্ঠানে না গিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনে গেলেন জামায়াতের প্রতিনিধি দল’।

তৃতীয় ফটোকার্ডে দাবি করা হয়, ‘জামায়াত থেকে পদত্যাগ করে ধানের শীষে ভোট চাইলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল’।

চতুর্থ ফটোকার্ডে দাবি করা হয়, ‘ক্ষমতায় আসার জন্য পার্বত্য চট্টগ্রামকে ভারতের হাতে তুলে দিতে সম্মত হয়েয়ে জামায়াতে ইসলামি : ইউএস এম্বাসি ঢাকা’।

পঞ্চম ফটোকার্ডে দাবি করা হয়, ‘তারেক রহমানের সমাবেশ থেকে মাইক চুরির সময় উপজেলা শিবিরের সাধারন সম্পাদক গ্রেপ্তার’।

ষষ্ঠ ফটোকার্ডে দাবি করা হয়, ‘রাত ১১ টায়তারেক রহমানের সমাবশে বক্তৃতা শুনতে জাময়াত নেতাদের ভীড়’।

সপ্তম ফটোকার্ডে দাবি করা হয়, ‘তারেক রহমানের সমাবেশে জনসমুদ্র দেখে হাসপাতালে ভর্তি হলেন জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান’।

ফ্যাক্টচেক

রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, রাজনৈতিক ব্যক্তি ও সংগঠনকে জড়িয়ে যমুনা টিভি উল্লিখিত ফটোকার্ডগুলো প্রচার করেনি। প্রকৃতপক্ষে, ডিজিটাল প্রযুক্তির সহায়তায় যমুনা টিভির প্রচলিত ফটোকার্ডের ডিজাইনের আদলে ফটোকার্ড তৈরি করে আলোচিত দাবিগুলো প্রচার করা হয়েছে।

এ বিষয়ে অনুসন্ধানে আলোচিত ফটোকার্ডসমূহ পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, এগুলোর প্রত্যেকটিতেই যমুনা টিভির লোগো ব্যবহার করা হয়েছে।

উক্ত তথ্যের সূত্র ধরে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডগুলো পৃথকভাবে যাচাই করেছে রিউমর স্ক্যানার।

ফটোকার্ড যাচাই-১

আলোচিত ফটোকার্ডটিতে দাবি করা হয় যে শরীফ ওসমান হাদির স্ত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম ও সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের।

যমুনা টিভির ফেসবুক পেজে প্রচারিত ফটোকার্ডগুলো পর্যালোচনা করে উক্ত শিরোনাম সংবলিত কোনো ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়নি। এছাড়া, যমুনা টিভির ওয়েবসাইটইউটিউব চ্যানেলেও উক্ত দাবির বিষয়ে কোনো সংবাদ বা তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাছাড়া, যমুনা টিভির প্রচলিত ফটোকার্ডের শিরোনামের ফন্টের সাথে আলোচিত ফটোকার্ডটির ফন্টের পার্থক্যও লক্ষ্য করা যায়।

যমুনা টিভি ব্যতীত অন্য কোনো গণমাধ্যম কিংবা সংশ্লিষ্ট বিশ্বস্ত কোনো সূত্রে আলোচিত দাবিটির সপক্ষে কোনো সংবাদ বা তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি।

এছাড়া, আলোচিত ফটোকার্ডে ব্যবহৃত ছবিটির বিষয়ে অনুসন্ধানে শিক্ষক ও অ্যাক্টিভিস্ট ফারজানা মাহবুবার ফেসবুক প্রোফাইলে গত ২৪ জানুয়ারি একটি পোস্টে ছবিটি খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত পোস্টটির ক্যাপশন ও প্রোফাইলটি পর্যবেক্ষণ করে জানা যায়, এটি ফারজানা মাহবুবার নিজের ছবি।

অর্থাৎ, আলোচিত ফটোকার্ডে ব্যবহৃত ছবিটির সাথে আলোচিত দাবিটির কোনো সম্পর্ক নেই।

অর্থাৎ, যমুনা টিভির লোগো ও ডিজাইন নকল করে এই ভুয়া ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।

ফটোকার্ড যাচাই-২

যমুনা টিভির ফেসবুক পেজে প্রচারিত ফটোকার্ডগুলো পর্যালোচনা করে উক্ত শিরোনাম সংবলিত কোনো ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়নি। এছাড়া, যমুনা টিভির ওয়েবসাইটইউটিউব চ্যানেলেও উক্ত দাবির বিষয়ে কোনো সংবাদ বা তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাছাড়া, যমুনা টিভির প্রচলিত ফটোকার্ডের শিরোনামের ফন্টের সাথে আলোচিত ফটোকার্ডটির ফন্টের পার্থক্যও লক্ষ্য করা যায়।

এছাড়া, আলোচিত ফটোকার্ডে ব্যবহৃত ছবিটির বিষয়ে অনুসন্ধানে একাধিক গণমাধ্যম ( ) সূত্রে জানা যায়, এটি ভারতের ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশন আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইনের অংশগ্রহণের দৃশ্য। গত ২৪ জানুয়ারি রাজধানীর রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে উক্ত আয়োজনের তারা ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা ও মিসেস মানু ভার্মাকে তারা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের পক্ষ থেকে ভারতের জনগণকে শুভেচ্ছা জানান এবং তাদের সুখ-সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করেন।

যমুনা টিভি ব্যতীত অন্য কোনো গণমাধ্যম কিংবা সংশ্লিষ্ট বিশ্বস্ত কোনো সূত্রে আলোচিত দাবিটির সপক্ষে কোনো সংবাদ বা তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি।

অর্থাৎ, যমুনা টিভির লোগো ও ডিজাইন নকল করে এই ভুয়া ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।

ফটোকার্ড যাচাই-৩

যমুনা টিভির ফেসবুক পেজে প্রচারিত ফটোকার্ডগুলো পর্যালোচনা করে উক্ত শিরোনাম সংবলিত কোনো ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়নি। এছাড়া, যমুনা টিভির ওয়েবসাইটইউটিউব চ্যানেলেও উক্ত দাবির বিষয়ে কোনো সংবাদ বা তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাছাড়া, যমুনা টিভির প্রচলিত ফটোকার্ডের শিরোনামের ফন্টের সাথে আলোচিত ফটোকার্ডটির ফন্টের পার্থক্যও লক্ষ্য করা যায়।

এছাড়া, আলোচিত ফটোকার্ডে ব্যবহৃত ভিডিওটির বিষয়ে অনুসন্ধানে Media Channel নামক ইউটিউব চ্যানেলে ২০১৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর ‘খুলনা ৫ আসনে জনসাধারণের উদ্দেশে অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বক্তব্য’ শিরোনামে প্রকাশিত একটি ভিডিও খুঁজে পাওয়া যায়। উক্ত ভিডিওর ০৯:১৮ থেকে ০৯:২৫ পর্যন্ত অংশটির সাথে আলোচিত দাবিতে প্রচারিত ভিডিওটির সাদৃশ্য রয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মিয়া গোলাম পরওয়ার খুলনা-৫ আসন থেকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে দলটির ‘ধানের শীষ’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেন। উক্ত ভিডিওটি তার তৎকালীন নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে প্রচারিত হয়।

অর্থাৎ, প্রচারিত ভিডিওর ঘটনাটি সাম্প্রতিক সময়ের নয়।

যমুনা টিভি ব্যতীত কোনো গণমাধ্যম কিংবা সংশ্লিষ্ট বিশ্বস্ত কোনো সূত্রে ‘বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের নিজ দল থেকে পদত্যাগ’ শীর্ষক দাবিটির সপক্ষে কোনো সংবাদ বা তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি।

অর্থাৎ, যমুনা টিভির লোগো ও ডিজাইন নকল করে এই ভুয়া ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।

ফটোকার্ড যাচাই-৪

যমুনা টিভির ফেসবুক পেজে প্রচারিত ফটোকার্ডগুলো পর্যালোচনা করে উক্ত শিরোনাম সংবলিত কোনো ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়নি। এছাড়া, যমুনা টিভির ওয়েবসাইটইউটিউব চ্যানেলেও উক্ত দাবির বিষয়ে কোনো সংবাদ বা তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাছাড়া, যমুনা টিভির প্রচলিত ফটোকার্ডের শিরোনামের ফন্টের সাথে আলোচিত ফটোকার্ডটির ফন্টের পার্থক্যও লক্ষ্য করা যায়।

এছাড়া, আলোচিত ফটোকার্ডে ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের বরাতে ‘ক্ষমতায় আসার জন্য পার্বত্য চট্টগ্রামকে ভারতের হাতে তুলে দিতে সম্মত হয়েয়ে জামায়াতে ইসলামি’ দাবি করা হয়েছে।

এ বিষয়ে অনুসন্ধানে ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসের ওয়েবসাইটফেসবুক পেজ পর্যবেক্ষণ করে আলোচিত দাবির সপক্ষে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

যমুনা টিভি ব্যতীত অন্য কোনো গণমাধ্যম কিংবা সংশ্লিষ্ট বিশ্বস্ত কোনো সূত্রে আলোচিত দাবিটির সমর্থনে কোনো সংবাদ বা তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি।

অর্থাৎ, যমুনা টিভির লোগো ও ডিজাইন নকল করে এই ভুয়া ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।

ফটোকার্ড যাচাই-৫

যমুনা টিভির ফেসবুক পেজে প্রচারিত ফটোকার্ডগুলো পর্যালোচনা করে উক্ত শিরোনাম সংবলিত কোনো ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়নি। এছাড়া, যমুনা টিভির ওয়েবসাইটইউটিউব চ্যানেলেও উক্ত দাবির বিষয়ে কোনো সংবাদ বা তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাছাড়া, যমুনা টিভির প্রচলিত ফটোকার্ডের শিরোনামের ফন্টের সাথে আলোচিত ফটোকার্ডটির ফন্টের পার্থক্যও লক্ষ্য করা যায়।

এছাড়া, আলোচিত ফটোকার্ডে ব্যবহৃত ছবিটির বিষয়ে অনুসন্ধানে একাধিক গণমাধ্যম (, ) সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্বাচনী জনসভার আগের দিন গত ২৪ জানুয়ারি রাতে ১৮টি মাইক এবং ০৫ কয়েল বৈদ্যুতিক তার চুরি হয়। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী আবদুর রাজ্জাক কোতোয়ালী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। উক্ত অভিযোগের বিষয়ে কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আফতাব উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ভিভিআইপি প্রটোকল ডিউটিতে ব্যস্ত থাকায় চুরির বিষয়টি সম্পর্কে তিনি এখনো অবগত নন। এসব প্রতিবেদনে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কথিত কোনো উপজেলা সাধারণ সম্পাদকের উল্লেখিত চুরির ঘটনায় গ্রেফতারের তথ্য পাওয়া যায়নি৷

প্রতিবেদনে সংযুক্ত ছবিটির বিষয়ে জানা যায়, এটি চট্টগ্রামে বিএনপির জনসভা উপলক্ষে মাঠে এক শ্রমিকের মাইক স্থাপন করা চিত্র যা গত ২৪ জানুয়ারি ১১টায় চট্টগ্রাম নগরের কাজীর দেউড়ি এলাকায় ধারণ করা হয়।

অর্থাৎ, আলোচিত ফটোকার্ডে ব্যবহৃত ছবিটির সাথে আলোচিত দাবিটির কোনো সম্পর্ক নেই।

যমুনা টিভি ব্যতীত অন্য কোনো গণমাধ্যম কিংবা সংশ্লিষ্ট বিশ্বস্ত কোনো সূত্রে আলোচিত দাবিটির সপক্ষে কোনো সংবাদ বা তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি।

অর্থাৎ, যমুনা টিভির লোগো ও ডিজাইন নকল করে এই ভুয়া ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।

ফটোকার্ড যাচাই-৬

যমুনা টিভির ফেসবুক পেজে প্রচারিত ফটোকার্ডগুলো পর্যালোচনা করে উক্ত শিরোনাম সংবলিত কোনো ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়নি। এছাড়া, যমুনা টিভির ওয়েবসাইটইউটিউব চ্যানেলেও উক্ত দাবির বিষয়ে কোনো সংবাদ বা তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাছাড়া, যমুনা টিভির প্রচলিত ফটোকার্ডের শিরোনামের ফন্টের সাথে আলোচিত ফটোকার্ডটির ফন্টের পার্থক্যও লক্ষ্য করা যায়।

যমুনা টিভি ব্যতীত অন্য কোনো গণমাধ্যম কিংবা সংশ্লিষ্ট বিশ্বস্ত কোনো সূত্রে আলোচিত দাবিটির সপক্ষে কোনো সংবাদ বা তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি।

অর্থাৎ, যমুনা টিভির লোগো ও ডিজাইন নকল করে এই ভুয়া ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।

ফটোকার্ড যাচাই-৭

যমুনা টিভির ফেসবুক পেজে প্রচারিত ফটোকার্ডগুলো পর্যালোচনা করে উক্ত শিরোনাম সংবলিত কোনো ফটোকার্ড খুঁজে পাওয়া যায়নি। এছাড়া, যমুনা টিভির ওয়েবসাইটইউটিউব চ্যানেলেও উক্ত দাবির বিষয়ে কোনো সংবাদ বা তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাছাড়া, যমুনা টিভির প্রচলিত ফটোকার্ডের শিরোনামের ফন্টের সাথে আলোচিত ফটোকার্ডটির ফন্টের পার্থক্যও লক্ষ্য করা যায়।

এছাড়া, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমানের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার দাবির বিষয়ে দলটির ফেসবুক পেজ কিংবা ডা. শফিকুর রহমানের ফেসবুক পেজ থেকে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। বরং, ২৬ জানুয়ারিতে কুষ্টিয়া সদরে জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী জনসভায় তাকে বক্তব্য দিতে দেখা যায়।

যমুনা টিভি ব্যতীত অন্য কোনো গণমাধ্যম কিংবা সংশ্লিষ্ট বিশ্বস্ত কোনো সূত্রে আলোচিত দাবিটির সপক্ষে কোনো সংবাদ বা তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়নি।

অর্থাৎ, যমুনা টিভির লোগো ও ডিজাইন নকল করে এই ভুয়া ফটোকার্ডটি তৈরি করা হয়েছে।

সুতরাং, ডা. শফিকুর রহমান, তারেক রহমান, সাদিক কায়েম ও এবি জুয়ারের, বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরকে জড়িয়ে যমুনা টিভির নামে প্রচারিত উল্লিখিত ফটোকার্ডগুলো ভুয়া ও বানোয়াট।

তথ্যসূত্র

Share: