গত ২৮ এপ্রিল রাত থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দাবি প্রচার করা হয়েছে, ‘আজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও নিউমার্কেট এলাকায় দুইজনকে গু”লি করে হ”ত্যা করা হয়। আবারও সেই ২০০১-২০০৬ পুরোনো দিনে ফিরে যাচ্ছি। Take back Bangladesh.’

এরূপ দাবিতে ফেসবুকে প্রচারিত পোস্ট দেখুন এখানে (আর্কাইভ) এবং এখানে (আর্কাইভ)।
ফ্যাক্টচেক
রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ২৮ এপ্রিল নিউমার্কেট এলাকায় ২ জনকে হত্যা করা হয়নি। প্রকৃতপক্ষে গত ২৮ এপ্রিল রাত পৌনে আটটার দিকে রাজধানীর নিউমার্কেটের পশ্চিম পাশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহনেওয়াজ ছাত্রাবাসের সামনে বটতলায় খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটন নামে একজন শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।
আলোচিত দাবির বিষয়ে অনুসন্ধানে প্রাসঙ্গিক কি-ওয়ার্ড সার্চ করলে জাতীয় দৈনিক প্রথম আলো’র ওয়েবসাইটে গত ২৮ এপ্রিলে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়৷ প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৮ এপ্রিল রাত পৌনে আটটার দিকে রাজধানীর নিউমার্কেটের পশ্চিম পাশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহনেওয়াজ ছাত্রাবাসের সামনে বটতলায় খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটন নামে একজন শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। পুলিশের ধারণা, শীর্ষ সন্ত্রাসীদের মধ্যকার অন্তঃকোন্দলে তাকে হত্যা করা হয়েছে।
ঘটনার বিষয়ে নিউমার্কেট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোল্লা শাহাদাত প্রথম আলোকে বলেন, রাত পৌনে আটটার দিকে মোটরসাইকেলে এসে কয়েকজন দুর্বৃত্ত এক যুবককে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। খুব কাছ থেকে তার মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে পাঁচ থেকে ছয়টি গুলি করে। এরপর দ্রুততম সময়ে পালিয়ে যায় তারা। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ৮টা ২৭ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ বিষয়ে আরো একাধিক গণমাধ্যম সূত্রেও গত ২৮ এপ্রিল নিউমার্কেট এলাকায় একজন নিহত হওয়ার তথ্য জানা যায়৷ দুইজন নিহত হওয়ার কোনো তথ্য জানা যায়নি।
সুতরাং, নিউমার্কেট এলাকায় ২৮ এপ্রিল দুইজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে শীর্ষক দাবি বিভ্রান্তিকর।


