সম্প্রতি, ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) সংগঠক মাইকেল চাকমাকে র্যাব-৭ চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে দাবিতে সংবাদ প্রকাশ করে দেশের কতিপয় সংবাদমাধ্যম। এ সংক্রান্ত সংবাদগুলোয় মাইকেলের ছবিও ব্যবহার হয়েছে।

উক্ত দাবিতে গণমাধ্যমের সংবাদ দেখুন বাংলাভিশন, নয়া দিগন্ত।
সংবাদ প্রকাশ করে পরবর্তীতে সরিয়ে নেয় আমার দেশ।
একই দাবির পোস্ট দেখুন থ্রেডস, ইনস্টাগ্রামে।
ফ্যাক্টচেক
রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, ইউপিডিএফ সংগঠক মাইকেল চাকমা গ্রেপ্তারের দাবিটি সঠিক নয়। প্রকৃতপক্ষে, ইউপিডিএফের আরেক নেতা প্রদীপ চাকমা (মাইকেল) গ্রেপ্তারের ঘটনাকে উক্ত দাবিতে প্রচার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে অনুসন্ধানে ইউপিডিএফ সংগঠক মাইকেল চাকমার ফেসবুক প্রোফাইল থেকে এ সংক্রান্ত দাবির সংবাদের স্ক্রিনশট প্রচার করে সেগুলো (১, ২) নিয়ে সার্কাজম করতে দেখা যায় তাকে।

তার প্রোফাইলেরই এক পোস্ট সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রামে চিকিৎসায় থাকা ইউপিডিএফ সংগঠক প্রদীপ চাকমাকে (৫৫) গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।১২ মার্চ দিবাগত মধ্যরাত ১২টার সময় আগ্রাবাদ এলাকায় তার এক আত্মীয়ের বাসা থেকে র্যাবের সদস্যরা তাকে তুলে নিয়ে যায়।
জাতীয় দৈনিক কালের কণ্ঠের এক সংবাদ থেকে জানা যায়, প্রদীপ চাকমার ডাকনাম মাইকেল। তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেন র্যাব অধিনায়ক লে. কর্নেল হাফিজুর রহমান।
কালের কণ্ঠ জানাচ্ছে, প্রদীপের নাম মাইকেল হওয়ায় গতকাল সন্ধ্যায় রটে যায়, গুমফেরত মাইকেল চাকমাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে র্যাব নিশ্চিত করেছে, গ্রেপ্তার মাইকেল চাকমা গুমফেরত মাইকেল চাকমা নন।
সুতরাং, ইউপিডিএফ সংগঠক মাইকেল চাকমা গ্রেপ্তারের দাবিটি মিথ্যা।
তথ্যসূত্র
- Michael Chakma Lorbo: Facebook Post
- Kaler Kantho: ইউপিডিএফ সদস্য প্রদীপ চাকমা গ্রেপ্তার


